বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, মূর্তি অপসংস্কৃৃতি দুটিই ইসলামবিরোধী। মূর্তি অপসংস্কৃতিকে বৈধ মনে করলে ঈমান থাকবে না, মুসলমানিত্ব থাকবে না। তাই সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে মূর্তি অপসারণ ও অপসংস্কৃতির ধারক জঘন্য ভারতীয় চ্যানেলসহ সকল অশ্লীল ও অবৈধ চ্যানেল বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় মুসলমানরা ঈমান রক্ষার স্বার্থে মূর্তি ও অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে কঠিন আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।
১২ ফেব্রুয়ারি রবিবার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতি বরাবর স্মারকলিপি পেশ পূর্বক সমাবেশে নগর সেক্রেটারি মুহা. সুলতান মাহমুদের সঞ্চালনায় নগর সভাপতি উপর্যুক্ত কথা বলেন।
তখন আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সহ-সভাপতি আলহাজ¦ আব্দুল হাই, জয়েন্ট সেক্রেটারি ডা. মুহা. সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহা. নূর হোসেন, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি মুহা. ওমর ফারুক, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সভাপতি মুহা. শাহাদাত হোসেন, ইসলামী যুব আন্দোলনের আহবায়ক মুহা. গিয়াস উদ্দিন খালিদ, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম নারায়ণগঞ্জ মহানগরের আহবায়ক হাফেজ মাও. আব্দুল্লাহ আল ফারুক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
তিনি বলেন, ইসলাম এসেছে মূর্তির বিরুদ্ধে। রাসূল সা. বলেছেন, আমি প্রেরিত হয়েছি মূর্তির বিরুদ্ধে। রাসূল সা. বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ আইন প্রণেতা হিসেবে স্বীকৃত। আমেরিকা সুপ্রিমকোর্টের সামনের ফটকে রাসূল সা. নাম সর্বশ্রেষ্ঠ আইনপ্রণেতা হিসেবে লিপিবদ্ধ আছে। ভারতের সুপ্রিমকোর্টেও আইন নেতারূপে কোন মূর্তির অবস্থান নেই। কোন মুসলিম দেশেও এরূপ কোন নজির নেই। তাহলে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ বাংলাদেশের সুপ্রিমকোর্টের সামনে কেন মূর্তি থাকবে। সুতরাং সুপ্রিমকোর্টের সামনে থেকে মূর্তি অপসারণ করতেই হবে। অন্যথায় জান-মাল দিয়ে হলেও ঈমান রক্ষায় ইসলামী জনতা গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হবে, যা সরকারের জন্য শুভ হবে না।

