বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ইসদাইর এলাকার অক্টো অফিসে মাওলা আলী জামে মসজিদের উন্নয়ন কাজ উদ্বোধন হওয়ায় নাসিক মেয়র ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং ইসদাইরবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।
স্মৃতিচারণ করে কাউন্সিলর খোরশেদ বলেন, ১৯৯০ সালের পর থেকে বর্তমান মসজিদের জায়গায় (নাসিকের নিজস্ব জমি) একটি ঘর ছিল। সেই ঘর যে দল যখন ক্ষমতায় থাকতো তখন সেই দলের অফিস হিসাবে ব্যাবহার করে অপতৎপরতা চালানো হত। ২০০৮ সালে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ইব্রাহিম চেংগিস, সাইদুর রহমান, হমায়ুন কবীর, হক সাহেব সহ অনেকের অনুরোধে আমি তাদের সাথে নিয়ে তৎকালীন পৌরসভার মেয়র ও বর্তমান নাসিক মেয়র মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে মৌখিক অনুমতি সাপেক্ষে ঐ অফিসটি ভেংগে জায়গা খালি করে এলাকাবাসীকে বুঝিয়ে দেই এবং এলাকাবাসী একচাল একটি মসজিদ নির্মান করে নামাজ পড়া শুরু করে। উল্লেখ্য যে মসজিদের জায়গাটি ১২ নং ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত। তৎসময়ে ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু ভাই রাজনৈতিক মামলার কারনে শহরে না থাকায় ও আমার বাড়ীর খুব কাছে হওয়ায় এবং মসজিদের মুসুল্লি ও আমরা একই সমাজের হওয়ায় শকু ভাইয়ে আমি টেলিফোনে সব জানিয়ে এবং মেয়র মহোদয়ের অনুমতি নিয়ে উক্ত ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর মিনোয়ারা বেগমকে সাথে নিয়ে মসজিদ নির্মানের কাজে সহযোগিতা শুরু করি।আরো উল্লেখ্য যে,কলেজ জীবনে আমি উক্ত এলাকায়ই আড্ডা দিয়ে,খেলাধুলা করে বড় হয়ে হয়েছি।
শুরুতেই সমস্যা দেখা দেয় মসজিদের মেহেরাব নির্মাণ নিয়ে।যে বরাদ্দকৃত স্থানটি ছোট তাই যদি মেহেরাব নির্মাণ করতে কিছু জায়গা ছেড়ে দেয়া হয় তাহলে মুসুল্লি সংকুলান হবে না।একথা জানতে পেরে পার্শ্ববর্তী নাসিকের আরেকটি জমি যেটি এলজিআরডি দেয়াল দিয়ে নিজেদের দখলে রেখেছিলো,সেই দেয়াল আমি নিজে ভেংগে মসজিদের মেহেরাম নির্মানের ব্যাবস্থা করি। আলহামদুলিল্লাহ।
এলাকাবাসীর সহয়তায় মসজিদটি ধীরে ধীরে স্থায়ী জুম্মা মসজিদে পরিনত হয়।সময়ে বিবর্তনে মুসুল্লির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় মসজিদ বহুতল করার প্রয়োজন হয়ে পড়লে উদ্যেগতারা পুনরায় ২০১৯ সালে আমাকে অবহিত করেন।আমি মেয়র মহোদয়ের সাথে ইব্রাহিম চেংগিস, সাইদুর ভাই সহ দেখা করি এবং তাকে বুঝিয়ে বলার পরে এলাকাবাসীর দাবীকে সম্মান জানিয়ে নাসিকের খরছে বহুতল মসজিদ নির্মান করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।এবং আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয় সার্ভেয়ার ও প্রকৌশলীদের নিয়ে মসজিদের জন্য জমি পরিমাপ করে পরিমান নির্ধারণ করে একটি নকসা ডিজাইন করার। আমি আমার চেষ্টা অব্যাহত রাখি।করোনার কারনে কিছুটা দেরী হলেও আজ নাসিকে অর্থায়নে ৩ কোটি টাকা ব্যায়ে মসজিদটির পুনঃনির্মান কাজ শুরু হওয়ায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে শত কোটি শোকরিয়া জানাই।কৃতজ্ঞতা জানাই নাসিক মেয়র মহোদয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ও অভিনন্দন জানাই ইসদাইর এলাকাবাসীকে,বিশেষ করে ইব্রাহিম চেংগিস,সাইদুর রহমান ও হুমায়ুন ভাই সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে।

