বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জে বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান মে দিবস উদযাপন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন সহ রাজনৈতিক দলগুলো নানা কর্মসূচি পালন করছে। বিভাগীয় শ্রম দপ্তর ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন সহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুপুরে নগরীর চাষাঢ়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জ ট্রেড ইউনিয়ন বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক খোরশেদুল হক ভূইয়ার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা, শ্রমিকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যান বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব কাউসার আহাম্মদ পলাশ, এক্সপোর্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম সহ নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কাউছার আহমেদ পলাশ বলেন, শ্রমিকরা এক সময় তাদের ন্যায্য আদায় দাবির জন্য রাস্তায় ঠিকমত মিছিল করতে পারতো না।পুলিশ তাদের লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দিতো।শ্রমিকদের আটক করে কারাবন্ধী করে রাখা হতো। কিন্তু এখন আর পূর্বের অবস্থান নাই। এখন শ্রমিকরা পুলিশদের বন্ধু হিসেবে দেখতে পায়।
তিনি আরো বলেন, গত বছরের শেষের দিকে বিসিক এলাকা অনেক উত্তপ্ত ছিল।শ্রমিকদের ন্যায্য আদায় নিয়ে একটা হ-য-ব-র-ল অবস্থা হয়। সেই একজন মালিক ঘোলা পানি মাছ শিকারের চেষ্টা করে।তিনি শ্রমিকদের উপর দোষ চাপিয়ে দেয়।শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরি আদায়ের জন্য মিছিল শ্লোগান দিলে শ্রমিকদের দোষ। পুলিশ লাঠিচার্জ না করলে পুলিশের দোষ আর তারা উস্কান দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তাদের কোন দোষ নাই। সেই দিন পুলিশের ভূমিকা ছিল খুবই প্রশংসনীয়। এখন কোন সমস্যা হলে ভাংচুর করা চলবে না। প্রয়োজনে আন্দোলন করে প্রশাসন ও কলকারকানা পরিদর্শকের সাথে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান হবে।
তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতবার ক্ষমতায় এসেছেন ততবার শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি করেছেন। তার প্রচেষ্টায় শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের জন্য কল্যান তহবিল তৈরি করেছেন।শ্রমিকরা তার কর্মক্ষেত্রে আহত বা নিহত হলে তহবিল থেকে ১ থেকে ২ লক্ষ্য টাকা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেইসাথে কোন শ্রমিকের সন্তান যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া-শুনা করে তাহলে কল্যান তহবিলে থেকে তাদের বিনা খরচে পড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য তা সবই সম্ভব হয়েছে।
পলাশ বলেন, এই মে দিবসে শ্রমিক তার ন্যায্য আন্দোলনের মাধ্যমে অধিকার আদায় করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর একক প্রচেষ্টার কারণে আজকে শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি যতবার ক্ষমতায় এসেছেন ততবার শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি করেছেন।
এছাড়াও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন সহ রাজনৈতিক দল গুলো নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে র্যালীসহ সমাবেশ করে।

