বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি কতৃক আয়োজিত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পারোয়ানা জারির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়ে যায় ।
বুধবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেন দলটি । সকালে থেকে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল নেতাকর্মীরা প্রেসক্লাবের সামনে এসে জড়ো হলে পুলিশ তাদের কে সরিয়ে যেতে বলে । এ সময় মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. এটিএন কামাল আসলে তাকেও সরে যেতে বলে পুলিশ । এক পর্যায়ে পুলিশ সাথে তার তর্কবিতর্ক ঘটনা ঘটে । পরে পুলিশ নেতাকর্মীদের লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় । এ সময় শ্রমিক দলের কর্মী মোঃ জুয়েল কে আটক করে পুলিশ ।
পরে শহরের কালীবাজারস্থ মহানগর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. আবুল কালাম বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশের বাধা ও নেতাকর্মীদের উপরে লাঠিচার্জের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রতিবাদ সভা করে । তিনি বলেন, একটি গনতান্ত্রিক দেশে সবার সভা সমাবেশ করার অধিকার আছে । কিন্তু আমরা তা স্বাধীন ভাবে করতে পারছি না । পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠান শুরুর পূর্বে নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেয় এবং তাদের উপর লাঠিচার্জ করে । আমাদের এক শ্রমিক দল কর্মী কে আটক করে । আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে আটককৃতদের মুক্তি দাবি করছি ।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, সভা সমাবেশ করা এটি আমাদের গনতান্ত্রিক অধিকার । কিন্তু পুলিশ আমরা সমাবেশ শুরুর আগেই মারমুখী আচরণ শুরু করে। একটি গনতন্ত্র দেশে এভাবে বাধা দেয়াটা গণতন্ত্রের জন্য দুঃসংবাদ। পুলিশের এমন আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি ফজলুল হক মজনু, এড. জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর সবুর খান সেন্টু, এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু, সহ সাংগঠনিক শওকত হাসেম শকু, মোঃ আওলাদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক হান্নান সরকার, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা, ১১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ফারুক হোসেন, বিএনপি নেতা সুলতান আহমেদ প্রমুখ ।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর শাহীন শাহ পারভেজ জানান, মহানগর বিএনপি প্রতিবাদ সমাবেশ করার কোন অনুমতি নেয় নি। বিগত দিনে তারা সভা সমাবেশ করার পূর্বে অনুমতি নিতো । কিন্তু আজ তারা কোন প্রকার অনুমতি ছাড়া প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে । তাই পুলিশ এসে তাদের কে সরে যেতে বলে এবং এক পর্যায়ে সরিয়ে দেয় । যদি অনুমতি নিতো তাহলে অবশ্যই সভা কার্যক্রম করতে দেয়া হতো।

