বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বন্দরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মহানগর ছাত্রলীগ নেতা সুস্মিতের সন্ত্রাসী হামলায় আবুল মিয়া (৪৮) নামে বাঁধন বাস কন্ট্রাকটারের এক দাঁত কর্তনের গুরুত্বর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ৩ ফেব্রুয়ারী সোমবার সকাল ১০টায় বন্দর থানার বাড়ৈইপাড়া এলাকায় এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় এলাকাবাসী আহত বাস কন্ট্রাকটারকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। আহত বাস কন্ট্রাকটার আবুল মিয়া বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নস্থ ১নং মাধবপাশা এলাকার মৃত আব্দুল মজিদ মিয়ার ছেলে। এ ব্যাপারে আহত আবুল মিয়া প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহন করে ঘটনার ওই দিন দুপুরে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী নেতাসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ্য করে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ পেয়ে বন্দর ফাঁড়ী ইনর্চাজ ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমানসহ সঙ্গীয় র্ফোস দ্রুত ঘটনাস্থলে আসলে ওই সময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যায়।
আহত বাস কন্ট্রাকটার আবুল মিয়া জানান, সোমবার সকাল ১০টায় প্রয়োজনীয় কাজে আমি আমার বন্ধুর বাড়ি বাড়ৈইপাড়া এলাকায় আসি। ওই সময় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বন্দর এইচ এম সেন রোডস্থ বাড়ৈইপাড়া এলাকার আবু মিয়ার সন্ত্রাসী ছেলে মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুস্মিত ও একই এলাকার জাকির মিয়ার ছেলে পিয়াস এবং একই এলাকার হায়াতুর রহমানের ছেলে সানোয়ারসহ অজ্ঞাত নামা ৪/৫ জন সন্ত্রাসী বেআইনী জনতাবদ্ধে অবদ্ধ হয়ে বেদম ভাবে পিটিয়ে নিলাফুলা জখমসহ ১টি দাঁত ফেলে দেয়।
উল্লেখ্য, এর আগেও বন্দরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে গৃহবধূ শিলা বেগমকে পিটিয়ে আহতসহ শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক উশৃঙ্খল সুস্মিত গংয়ের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে আহত গৃহিনী শিলা বেগম বাদী হয়ে ছাত্রলীগ নেতা সুস্মিতসহ ৩ জনকে আসামী করে বন্দর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বন্দরে বাড়ই পাড়া এলাকায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক সুস্মিত, একই এলাকার জাকির হোসেন মিয়ার ছেলে পিয়াস ও মৃত রহমান মিয়ার ছেলে সানোয়ার হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন বিজন মিয়ার স্ত্রী গৃহিনী শিলা বেগমকে বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। খবর পেয়ে ভাবী শিলা বেগমকে গালমন্দের প্রতিবাদ করতে দেবর এমী ও টিটু তাদের বাধা দেয়। এ সময় পূর্ব পরিকল্পনানুযায়ী ছাত্রলীগ নেতা উশৃঙ্খল সুস্মিতসহ উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা লোহার রড ও লাঠি দিয়ে শিলা বেগমের দেবর এমী ও টিটুকে বেধরক পিটুনী দেয়। এক পর্যায়ে হামলাকারীরা গৃহিনী শিলা বেগমের বসত ঘরে গিয়ে তান্ডপ চালায়। এ সময় হামলাকারী সুস্মিত গৃহিনী শিলা বেগমের গলায় থাকা ৮আনা স্বর্নের চেইন লুটে নেয় অপর হামলাকারী সুস্মিতের সহযোগী ছানোয়ার শিলা বেগমকে টেনে হিচড়ে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। আহতদের চিৎকারে আশপাশের লোক এগিয়ে আসার পূর্বেই হামলাকারী প্রাননাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। আহতদের স্থানীয়দের সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করার পর প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তালেব ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছে।

