বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বন্দর থানাধীন মদনগঞ্জ এলাকায় ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাগরকে ঘিরে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সরেজমিনে পরিদর্শণে গেলে এলাকার বেশ কয়েকজন নারী-পুরুষ অবাক করার মতো এমন কিছুই গগণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তুলে ধরলেন। তারা। তাদের অভিমত.যিনি বিগত ৫বছর বিএনপি’র পেটোয়া বাহিনী নিয়ে এলাকার জনগণকে বঞ্চিত করেছেন। আওয়ামীলীগর কর্মীদের চাপতে দেন নাই। আবার বসুন্ধরা থেকে বিএনপি নেতাদের মাসিক ৫ হাজার টাকার ভাতার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। উনি কেমন আওয়ামীলীগ নেতা..? কাউন্সিলর সাগর বিএনপির যে সকল নেতা-কর্মীদেরকে মাসে ৫হাজার করে বখরা পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন এদের মধ্যে আছেন বন্দর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ফারুক চৌধুরী,বন্দর থানা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক তুষার,১৯নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন,কদমরসুল পৌর বিএনপি’র সহ-সভাপতি পিয়ার জাহান,বিএনপি নেতা আরিফ,মামুন,এবাদল সরকার,শাফিন,পনির,আলম,মোসলেহউদ্দিন মেম্বারসহ আরো অনেককে নিয়ে নদীর কাইট থেকে শুরু করে অনেক রমরমা ব্যবসা করছে। আর মাসুদুর রহমান মদনগঞ্জ ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি থাকাকালীন সময়ে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ বীরমুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান,নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ একেএম শামীম ওসমানকে এই মাঠে এনে নজিরবিহীন সংবর্ধনা দেয়। ওই সংবর্ধণার সুবাদে সেই থেকে সাংসদ শামীম ওসমানদের আস্থাভাজন হয়ে যান মাসুদ। এতে ইর্ষান্বিত হয়ে কুচক্রী মহল ওসমান পরিবার থেকে দূরে রাখার জন্য মাসুদুর রহমানকে বিএনপি নেতা বলে অপ-প্রচার করে। বর্তমান কাউন্সিলর টাকা ছাড়া মানুষ পায়না বলে যাচ্ছেতাই করে বেড়ায়। আমির হোসেন বিগত নির্বাচনে অফিস থেকে রিপোর্ট নিলে দেখা যাবে উনি হয়েছেন ৩ নাম্বার। বর্তমানে মাসুদ-উর-রহমান জনপ্রিয়তার শীর্ষে। মাসুদ-উর-রহমান কাউন্সিলর হলে জনগণ তথাা সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।

