বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি বিরুদ্ধে বিচারের নামে স্কুল ছাত্রকে বেত আঘাত ও অযৌক্তিক ভাবে জরিমানা করায় সংবাদ সম্মেলন করে বিচারের দাবি করেছে স্কুল ছাত্র মোহাম্মদ আবু রায়হান ও তার পরিবারবর্গ ।
মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই সব দাবি জানান তারা । তারা বলেন, গত ৪/৫/১৭ ইং বৃহস্পতিবার রাতে আমার ছোট বোনের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে শেষে বর পক্ষের লোকজন যাওয়ার পথে রাস্তায় বরের বোন কে এলাকার খবির উদ্দিন, নওয়াব মিয়ার ছেলে মাহবুব ও মুন্নার ছেলে আলামিন মদ্যপান করে ইভটিজিং করে । মেয়েটি তখন প্রতিবাদ জানালে তাকে মারধর করে এবং ছুড়ি দিয়ে ভয়ভীতি দেখায় । এ সময় মেয়েটির ভাই ও আত্নীয় স্বজন এসে প্রতিবাদ করলে মাহবুব, আলামিন ও খবির উদ্দিন তাদের মারধর করে । পরিবর্তীতে আমরা এসে তাদের কে বুঝানোর চেষ্টা করি যে তারা আমাদের আত্নীয় তারপরও তারা খারাপ ব্যবহার করে । এক প্রর্যায়ে তাদের আমাদের হাতাহাতি ঘটনা ঘটে । পরে তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায় । পরে ভয়ে আমরা আমাদের বাড়ি ভিতরে আশ্রয় গ্ৰহন করি । এ সময় তারা বাড়ির বিদ্যুৎতের লাইক কেটে দেয় এবং রামদা, বগি দিকে বাড়ির গেইটে আঘাত করে । পরে আমরা বক্তাবলী পুলিশ ফাঁড়িতে ফোন করলে পুলিশ আসে পরে তারা পালিয়ে যায় । এ সময় তারা আরোও বলেন, হামলাকারি নওয়াব মিয়া মতি চেয়ারম্যানের খালাতো ভাই । আমরা এই ঘটনার বিচারের জন্য আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাছে বিচার দিলে তিনি আমাদের ৫/৫/১৭ ইং তারিখ আমাদের বাসায় এসে তার ভাই ও ভাতিজার নাম বাদ দিয়ে খবির উদ্দিন বিরুদ্ধে মামলা করতে বলে । কিন্তু আমরা মামলা করতে অস্বীকৃতি জানাই । পরে তারা আমাদের নামে থানায় জিডি দায়ের করে । আমরা আদালত থেকে জামিন নেই । এদিকে চেয়ারম্যান তার লোকবল দিয়ে বিচারে বসার চাপ দিতে থাকে । এক পর্যায়ে ১৯ শে মে শুক্রবার বিকেল ৪ টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বিচার জন্য ডাকেন । বিচারে আমরা গেল মতি চেয়ারম্যান আমাদের কোন কথা না শুনে একতরফা তাদের কথা শুনে চেয়ারম্যান ও তার জন্য বিচারের রায় দেন । একশত বেত্রাঘাত ও আমার চাচাতো ভাইকে একশত বার কান ধরে ওঠবস করানোর পর ১ লক্ষ আশি হাজার টাকা জরিমানা করে । পরে নুরুল ইসলাম মাতব্বর বেত্রাঘাত করে আমি এইচএসসি পরীক্ষার্থী বলে আমার বাবা ও ভাই বেত্রাঘাত না করার জন্য অনুরোধ করলেও তারা করেন । হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন কেউ যেন ছবি না তুলে আর এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা পরিশোধ করতে বলে । পরে এ বিষয় নিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে মতি চেয়ারম্যান আমাদের এসব সংবাদের প্রতিবাদ দেয়ার জন্য হুমকি দেয় । এমন তো অবস্থায় আমরা বাড়িতে থাকতে পারছি না । জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি । পরে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি জিডি দায়ের করি । কিন্তু সদর মডেল থানার পুলিশ আমাদের কোন সহযোগিতা করছে না ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মোহাম্মদ আবু রায়হানের পিতা মোঃ রফিকুল ইসলাম , চাচা মোঃ শফিকুল ইসলাম, চাচাতো ভাই মোঃ রোমান আহমেদ ও আব্দুল্লাহ আল ইমরান ।

