বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
কথায় বলে আকাশে যত তারা আইনে ততো ধারা, আর এই ধারাকে ব্যবহার করে আসছে এক শ্রেণীর প্রতারক চক্র ভূমিদস্যূ তাদের কয়কেজন মিলে হয় একটি গ্রুপ। আর সেই গ্রুপটি বিভিন্ন অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকে, যেমন এবার বন্দর সাব রেজিষ্ট্রার অফিস থেকেই উধাও হয়ে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দাতা এবং গ্রহীতার ছবি ঐ ছবি আবার বদলে দিয়ে, গ্রহীতাকে করা হয় হয়রানি, ব্লাকমেইল এই প্রতারক চক্র, এক জমি কয়েকবার বিক্রি করে থাকে যেমন, বিক্রয়ের সময় ব্যবহার করা হয় একরকম ছবি পরে ঐ রেজিষ্ট্রি অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সহযোগিতায় মুল দলিল নামিয়ে আগের ছবিটি পরিবর্তন করে অন্য লোকের ছবি লাগিয়ে বলে আমি কোন জমি বিক্রয় করি নাই। করে থাকলে দলিলে আমার ছবি দেখান পরে গ্রহীতার কাছ থেকে দাতা মোটা অংকের টাকা দাবী করেন আর গ্রহিতা বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করলে প্রতারক চক্র কোন কথা না শুনে সামাজিক ভাবে মীমাংসার প্রস্তাব দেন, তার মানে এখানেও ধান্দাবাজি। শুধু তাই নয় এই প্রতারক চক্র রেজিষ্ট্রি অফিসের ম্যাজিস্ট্রেটের সাইন ও সিল নকল করে বহু নকল জাল দলিল সম্পাদন করেন আর তার খেসারত দিতে হয় কষ্টের জমানো টাকা দিয়ে কিনা জমির মালিক বা গ্রহীতার। বাংলাদেশ সরকারের তথ্য আইন অনুযায়ী সই মুহুরী নকল সংগ্রহ করতে পারবেন যে কেউ কিন্ত ঐ তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দাতার গ্রহীতার ছবি বদল করা আইনত দন্ডনীয়। যা এই প্রতারক চক্র করে আসছে দিনের পর দিন। বাবু ওরফে আইয়ুব আলী বন্দর কোর্ট পাড়ার বাসিন্দা। এলাকায় সবাই বাবু নামে চিনলেও তার নাম আইয়ুব আলী। পিতা মৃত দীল মোহাম্মদ তিনি সাধারণ একজন জমির দালাল থেকে আজ কোটি কোটি টাকার মালিক। কারন তিনি প্রতারনার মাধ্যমে এক জমি তিনবার বিক্রি করেন। তার নামে-বেনামে রয়েছে অঢেল সম্পদ তিনি কোন কাজ করেন না,তার কাজ হচ্ছে জমি বিক্রি করে ঐ জমি আবার ফেরত নেওয়া ঠিক যেন কানামাছি খেলা। বাবু ওরফে আইয়ুব আলী একজন আন্তঃজেলা প্রতারক। এ প্রসঙ্গে বন্দর কোর্টপাড়া এলাকায় সাধারন জনগনের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন,বাবু ওরফে আইয়ুব আলী জীবন্ত মানুষকে মৃত করতে কোন সময় লাগেনা তার মুখে মধু আর অন্তরে বিষ। প্রতারক বাবু জমির দালালের সাথে মাদক ব্যবসার সাথেও জড়িত বলে জানান। এদিকে এলাকাবাসী জানায়,বাবু সাহাবুদ্দিন নামে তার ধর্ম পিতার কাছ থেকে প্রতারনার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয় প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আর সেই টাকা দিয়ে নামে-বেনামে সম্পদ গড়ে তোলে এবং ঐ সম্পদ বিক্রি করে আবার গ্রহীতাকে হয়রানি করে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে বাবু পালিয়ে পালিয়ে এলাকায় আসেন রাতের আধারে। এলাকাবাসী আরো জানায়,প্রতারক বাবু সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে ঢুকে ছবি বদল করার সাহস পায় কি করে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তপূর্বক খতিয়ে দেখা রকার। ভূক্তভোগীরা ঐ প্রতারকের বিরুদ্ধে আশু আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

