বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বন্দর উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীনের সরকারি অফিসে অনৈক কর্মকান্ড এখন টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে জয়নাল আবেদীন ছুটির নামে পলাতক রয়েছে। জয়নালের সাথে তার দফতরের মহিলা পিওনের অনৈতিক ঘটনার সিসি টিভি ফুটেজ এখন উপজেলার অধিকাংশ দফতরসহ সাংবাদিকদের হাতে এসে পৌছেছে। এ ঘটনা নিয়ে অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি ভুল করেছি। শয়তানের প্ররোচনায় আমি ভুল করেছি। এ ব্যপারে মহিলা অফিস পিওন বলেন, জয়নাল সাহেব আমার উর্ধতন অফিসার। সে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অনৈতিক কাজ করেছে। চাকরীর ভয়ে চুপ ছিলাম। সিসি টিভির ফুটেজে দেখা যায়, গত ৮ আগষ্ট দুপুরে জয়নাল আবেদীন তার অফিস কক্ষেই মহিলা অফিস পিওনের স্পর্সকাতর স্খানে হাতাহাতি, মহিলা পেটে চুম্মন ও টেনে তার কোলে বসিয়ে স্পর্সকাতর স্থানে হাত দেয়। এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তাহমিনা বেগম জানান, আমি সিসি টিভি ফুটেজ দেখেছি। তার অনৈতিক কর্মকান্ডের বিষয়ে জেলা কৃষি কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। তিনি ব্যবস্থা নেবেন। এ ব্যপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী হাবিবুর রহমানের সাথে মুঠো ফোনে আলাপ করলে তিনি বলেন, জয়নালকে অন্যত্র বদলী করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ আমরা পাইনি। এদিকে দেখা যায় বন্দর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ১২.১৮.৮৭০৬.০৩৯.০৪১.১২/৪৬৪ নং স্বারকে জয়নালের অনৈক কর্মকান্ডের কথা কিছুটা উল্লেখ করে জেলা কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। এ ব্যপারে বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান ঘটনা শুনে ও সিসি টিভি ফুটেজ দেখে হতবাক হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, এ ধরণের অপরাধ মেনে নেয়া যায় না। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষনিক জেলা জাতীয়পার্টর আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল জাহেরকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুক্লা সরকারকে অবহিত করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষি কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার নিদের্শ দেন। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে বন্দর উপজেলায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। উপজেলা একাধিক কর্মকর্তা বলেন, জামালপুরের ডিসি সাহেব যদি তার কৃতকর্মের জন্য শাস্তি পেতে পারেন তবে বন্দর উপজেলা কৃষি অফিসের জয়নাল কেন শাস্তি পাবে না। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই।

