বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের বন্দরের আলোচিত ক্লুলেস হত্যা মামলার দীর্ঘদিন পলাতক আসামী সুমন @ শোভন (২১) গ্রেফতার।
র্যাব-১১ এর মিডিয়া অফিসার মোঃ রিজওয়ান সাঈদ জিকু বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামী সুমন @ শোভন (২১), জেলার বন্দর থানা এলাকার হাকিমের ছেলে।
র্যাব-১১ এর এই কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী সুমন @ শোভন ক্লুলেস হত্যা মামলাটির তদন্তে সন্দিগ্ধ দীর্ঘদিন পলাতক আসামী। গত ১৭ জুন তারিখ দুপুর ২ টার সময় দুপুরের খাওয়া দাওয়া শেষে নিহত ভিকটিম মোঃ আবু বক্কর (২১) বন্দর কলাবাগ এলাকায় নিজ বাসায় ঘুমিয়ে পড়েন। ঐ দিন বিকাল ৫ টার সময় ভিকটিম মোঃ আবু বক্কর (২১) কাউকে কিছু না বলে বাসা হতে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে রাত ১০ টার সময় ভিকটিম আবু বক্কর ঘরে ফিরে না আসলে ভিকটিমের পিতা তার আত্মীয় স্বজনের বাসায় খোঁজাখুজি করে কোথাও ভিকটিমকে না পেয়ে খোঁজাখুজি করতে থাকে। তিনি গত ১৯ জুন সকাল ৬ টার সময় কাজের উদ্দেশ্যে তার রিক্সা নিয়ে বাসা হতে বের হয়ে বন্দর থানার টিনের মসজিদের সামনে চায়ের দোকানে থাকাকালীন সময়ে তিনি জানতে পারে যে, বন্দর থানাধীন উত্তর কলাবাগ আব্দুল কাদিরের পুকুরে একটি অজ্ঞাতনামা লাশ পাওয়া গেছে। তিনি সাথে সাথে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার ছেলে ভিকটিম মোঃ আবু বক্কর(২১) এর লাশ সনাক্ত করেন। গত ১৭ জুন বিকাল ৫ টা থেকে ১৯ জুন সকাল সাড়ে ৬ টার মধ্যে যে কোন সময় গ্রেফতারকৃত আসামী সুমন @ শোভন (২১)’ সহ তার সহযোগী পলাতক অন্যান্য আসামীরা পরস্পর যোগ সাজসে তার ছেলে ভিকটিম মোঃ আবু বক্কর (২১)’কে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত করে হত্যা করে লাশগুম করার উদ্দেশ্যে বন্দর থানাধীন উত্তর কলাবাগ জনৈক আব্দুল কাদিরের পুকুরে ফেলে দেয়। উক্ত ঘটনায় নিহত ভিকটিমের পিতা মোঃ হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর হতে উক্ত আসামী পলাতক ছিল।
নৃশংস এই ক্লুলেস হত্যাকান্ডে জড়িত তদন্তে সন্দিগ্ধ দীর্ঘদিন পলাতক আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১১, নারায়ণগঞ্জ, সদর কোম্পানি এর একটি চৌকশ গোয়েন্দা টীম যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে তাদের অবস্থান সনাক্ত পূর্বক গ্রেফতারের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ক্লুলেস হত্যা মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ দীর্ঘদিন পলাতক আসামী সুমন @ শোভনকে ঢাকার তেজগাঁও থানাধীন কাওরান বাজার মৎস্য আড়ৎ এলাকা থেকে আসামী’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী’কে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

