বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
পারলে.. .. .. হালান গা ! কোন বাপ থাকলে লইয়ান গা, দেখি জমি কেমনে বাইর করেন ? ! বন্দর উপজেলায় একটি জমির বিচারে গিয়ে এমন দম্ভোক্তি করেছেন মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকছুদ হোসেন মাকছুদ। শনিবার সকালে বন্দর উপজেলা মুছাপুর ইউপির লাঙ্গলবন্ধ মালিবাগ এলাকার জমির বিচারে ভরা মজলিসে জমির মালিক তারিকুল ইসলামের স্ত্রী মুক্তা বেগমের সাথে এমন আচরন করেন তিনি।জানা গেছে, মুক্তা বেগমের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার সাকালে বন্দর উপজেলার লাঙ্গলবন্ধ মৌজাস্থ ১১৮ দাগে ৩ শতাংশ জমি নিয়ে সালিশ বসে । ওই সালিশে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুছাপুর ইউপির চেয়ারম্যান মাকছুদ হোসেন মাকছুদ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান ফোর্সসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অভিযোগে বলা হয়, মুক্ত বেগম গত ৫ মাস পূর্বে পারভিন বেগমের কাছ থেকে সাব কবলা করেন। জমি পরিমান ৩ শতাংশের পরিবর্তে সেখানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ২.৭০ শতাংশ জমি রয়েছে। কিন্তু এই দাগে মোট জমির পরিমান ৬ শতাংশ। পাশের জমির মালিকের ভেতরে জমি বেশী থাকলেও মুক্তা বেগমের বাকি অর্থাৎ .৩০ শতাংশ জমি বুজিয়ে না দেয়াতে চেয়ারম্যানের বরাবর এ অভিযোগ করেন তিনি। চেয়ারম্যানের সামনেই উত্তেজিত হয় বিবাদীরা। কিন্তু পুরো জমি না মেপে শুধু ৩ শতাংশ জমি মেপে বলা হয় অবশিষ্ট জমি রাস্তায় গেছে। এতে মুক্তা বেগম অস্বীকৃতি জানানে চেয়ারম্যান খিপ্ত হয়ে বলেন, পারলে.. .. .. হালানা গা ! কোন বাপ থাকলে লইয়ান গা, দেখি জমি কেমনে বাইর করেন ?এ বিষয়ে অভিযোগকারী মুক্তা বেগম জানান, ৩ শতাংশ জমি কবলা করে তা দখলে নিতে নানাভাবে ভোগান্তি শিকার হতে হয়েছে আমাকে। লাঙ্গলবন্ধ মৌজাস্থ ১১৮ দাগে সর্বমোট ৬ শতাংশ জমি থাকলেও বার বার আমার ৩ শতাংশ জমিই মাপ দেয়া হয়। শনিবার সকালে মাকছুদ চেয়ারম্যান বিচারে বসে আবারো তাদের জমিতে মাপ না দিয়ে আমার জমিই মাপ দিয়ে .৩০ শর্ট দিয়ে ২.৭০ শতাংশ বুঝিয়ে দিলে তাতে আমি অস্বীকৃতি জানালে সে আমাকে গালাগাল করে চলে যায়। আমি জেলা প্রশাসক মহাদয়ের কাছে আমার আবেদন ৩ শতাংশ জমি যাতে বুঝিয়া পাই সে ব্যবস্থা করবেন।জমির তফসিল- লাঙ্গলবন্ধ মৌজাস্থ দাগ নং-১১৮, জমির পরিমান ৬ শতাংশ, উত্তরে আলী হোসেন, দক্ষিনে সরকারি হালট, পূর্বে হানিফ মোল্লা ও পশ্চিমে নিজ গ্রহীতা।
