বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বন্দরে সৌদি আরবের প্রবাসীর স্ত্রী তানিয়া বেগম (৩৫) হত্যা ঘটনার মূলহতো ইকবাল (৩৮) গ্রেপ্তারের ৬ ঘন্টার ব্যবধানে আরো এক খুনি ভাসুর আবুল কাশেম (৪২) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রোববার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ব্যাপারে নিহত গৃহবধূর তানিয়ার পিতা তাজুল ইসলাম বাদী হয়ে বন্দর থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ধৃত ২ হত্যাকারিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে সোমবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করেছে। ধৃত ২ হত্যাকারি ইকবাল হোসেন বন্দর থানার ছালেহনগর এলাকার মৃত ইসহাক মিয়ার ছেলে ও অপরধৃত আবুল কালাম (৪২) একই থানার কলাবাগ এলাকার মৃত হাবিল উদ্দিন মিয়ার ছেলে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বন্দরের চৌধুরী বাড়ী এলাকার নূর হোসেন জীবীকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। এ সুযোগে নূর হোসেনের স্ত্রী তানিয়া বেগম বন্দরের সালেহনগর এলাকার মৃত ইসহাক খানের লম্পট ছেলে ইকবাল হোসেনের সঙ্গে পরকীয়া সর্ম্পকে জড়িয়ে পড়ে। টাকা পয়সা দেওয়া নেওয়া নিয়ে সম্প্রতি উভয়ের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।এর জের ধরে শনিবার গভীর রাতে পরকীয়া প্রেমিক ইকবাল ও প্রবাসী বড় ভাই আবুল কাশেম ২ সন্তানের জননী তানিয়াকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে তানিয়ার বাবা তাজুল ইসলাম বাদী হয়ে বন্দর থানায় হত্যা মামলা রুজু করলে পুলিশ হত্যাকান্ডের সাথে সাথে হত্যা মামলার প্রকৃত আসামী পরকীয়া প্রেমিক ইকবালকে গ্রেপ্তার করে। খুনি ইকবাল পুলিশের কাছে হত্যার ঘটনার সতত্য স্বিকার তার তথ্যের ভিত্তিতে বিকেলে নিহত গৃহবধূর ভাসুর আবুল কালামকে গ্রেপ্তার করে। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত ধৃত ২ খুনিকে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে গতকাল সোমবার দুপুরে াাদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
