বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বন্দরে ৫ ঘন্টার ব্যবধানে পৃথক ২টি স্থানে মানসিক প্রতিবন্ধী গৃহবধূ ও কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যায় বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ঘারমোড়া ও একই রাতে মহনপুর এলাকায় এই দুইটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। আত্মহননকারিনীরা হলো মানসিক প্রতিবন্ধী নূর জাহান আক্তার (১৭) ও কলেজ ছাত্রী রাবেয়া আক্তার (১৮)। এ ব্যাপারে বন্দর থানায় পৃথক ২টি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মাস পূর্বে বন্দর থানার ঘারমোড়াস্থ কোনাপাড়া এলাকার দিন মজুর আলী আহাম্মদ মিয়ার মেয়ে মানসিক প্রতিবন্ধী নূরজাহান আক্তার সাথে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি থানার ইছাপুর এলাকার মান্নান মিয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান মনির সাথে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে হয়। নূর জাহান মানসিক প্রতিবন্ধীসহ শারীরিক ভাবে অসুস্থ্য থাকার কারনে বিয়ের পর থেকে তার পিত্রালয়ে বসবাস করে। র্দীঘ দিন ধরে শারীরিক ভাবে অসুস্থ্য হওয়ার কারনে নূর জাহান মনের ক্ষোভে ও সবার অজান্তে নিজ ঘরের আড়াঁর সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। মানসিক প্রতিবন্ধী গৃহবধূ আতœহত্যার ঘটনায় পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় নিহতের স্বজনরা রোববার বন্দর থানার অফিসার ইনর্চাজ আবুল কালামের বরাবর বিনা ময়না তদন্তে লাশ দাফনের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে। পরে মৃতের আত্মীয় স্বজনরা থানা থেকে অনুমতি নিয়ে ওই দিন বাদ আসর ঘারমোড়া ঈদগাহ ময়দানে জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে লাশ দাফন করে। এ ছাড়াও একই রাতে প্রেম ঘটিত কারনে কলাগাছিয়া ইউনিয়নের মহনপুর এলাকায় হাজী ইব্রাহিম আলম চাঁন স্কুল এন্ড কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্রী রাবেয়া আক্তার বাড়ীর পাশে বন্যা গাছের সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আত্মহননকারী কলেজ ছাত্রী রাবেয়া আক্তার মহনপুর এলাকার ওয়াহিদ মিয়ার মেয়ে বলে জানা গেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী রোববার ভোরে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ দেখতে পেয়ে বন্দর থানা পুলিশকে সংবাদ জানালে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে র্মগে প্রেরণ করে।
