বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জে বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রি বার্ষিকী সম্মেলনে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। দু পক্ষের মারামারির কারনে সম্মেলন স্থগিত ঘোষনা করেন কাউন্সিলে দায়িত্বরত নেতৃবৃন্দ। শনিবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার বক্তাবলী রাজাপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
সম্মেলনে উপস্থিত কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী আওয়ামীলীগ নেতা জানান, দীর্ঘ ১৯ বছর পর এই সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আওয়ামীলীগের ত্রি বার্ষিকী সম্মেলনে বিভিন্ন পদে একাধিক প্রার্থী রয়েছে। অনুষ্ঠানে আলোচনা পর্ব শেষে ভোট গ্রহনের সময় সন্ধ্যায় সভাপতি প্রার্থীদের মধ্যে এই হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। ভোট গ্রহন চলাকালীন সম্মেলনে আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রার্থী সফিক মাহমুদ ও তার লোকজন হৈ চৈ শুরু করেন। এক পর্যায়ে জেলা ও থানা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের সামনেই আরেক সভাপতি প্রার্থী আবুল হোসেনের লোকজনের সাথে মারামারিতে জড়িয়ে পরেন তারা। এসময় সম্মেলনে থাকা চেয়ার ভাংচুর করা হয়। বিশৃঙ্খলা দেখে সম্মেলন স্থল দ্রুত ত্যাগ করেন আমন্ত্রিত আওয়ামীলীগের নেতৃতবৃন্দ। ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদল ও মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদল শাহ নিজাম সহ নেতৃবৃন্দরা। পরে আবার মারামারিতে জড়িয়ে পরেন পদ প্রত্যাশীরা। তবে এ ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পরে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো. শহীদ বাদল আওয়ামীলীহগের সম্মেলন স্থগিত ঘোষনা করেন।
এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো শহীদ বাদল বলেন, বক্তাবলী আওয়ামীলীগের ত্রি বার্ষিকী সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার আজকের সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে কিভাবে ভোট গ্রহন ও সম্মেলন কোথায় হবে, সে বিষয়ে সবাইকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত করা হবে। এমপি শামীম ওসমানের সাথে আলোচনা করে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সম্মেলনের সময় জানিয়ে দেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম শওকত আলী বলেন, বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলনের সভাপতি প্রার্থী শফিক মাহমুদের লোকজন অবৈধ প্রভাব বিস্তার করতে এই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। হট্টগোল করে প্রভাব বিস্তার করে ভোট দেওয়ার চেষ্ঠা করেছে তারা।
তিনি আরো বলেন, আমরা শান্তি বজায় রাখার জন্য যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেজন্য সম্মেলনের ভোট গ্রহন স্থগিত করা হয়েছে। যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। জেলা ও থানা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দের সাথে পরামর্শ করে এবং এমপি শামীম ওসমান যেভাবে সিদ্ধান্ত দিবেন সেভাবেই সেদিন পরবর্তী সম্মেলন অনুষ্ঠিত করা হবে।

