বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ফতুল্লা মডেল থানার মাসিক অপরাধ হাল চিত্রে গত সেপ্টেম্বর মাসে ৩১দিনে বিভিন্ন অপরাধে থানায় মোট মামলা রুজু হয়েছে ১শ’২০টি।যা গত সেপ্টেম্বর মাসের চেয়ে ৫৬টি মামলা বেশি রুজু হয়েছে ।অপমৃত্যু মামলা রুজু হয়েছে ৫টি।ফতুল্লা থানার আইন শৃঙ্খলা আগের মতো ভালই রয়েছে এমনটাই বলছেন পুলিশ ও সচেতন মহল। গত অক্টোবর মাসে মোট ১৮ লক্ষ ৭০হাজার ৮শ’ ৭৫টাকার মূল্যের মাদকদ্রব্যাদি উদ্ধার করেছে। এর আগের মাস সেপ্টেম্বর মাসে ১৯ লক্ষ ৭১ হাজার ৬শ’ টাকার মাদকদ্রব্যাদি উদ্ধার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ।এই মাসে ইয়াবা ট্যাবলেট ৩৫শ’৪৪পিস, হেরোইন ৬৫ গ্রাম, ফেন্সিডিল ৮ বোতল,বিয়ার ৫ক্যান, চোলাই মদ ৭লিটার,বিদেশী মদ ৮ বোতল, গাঁজা ৯ কেজি উদ্ধার করেছেন পুলিশ।ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল উদ্দিন বলেন,আপনারা চোখ খুলে দেখুন আমার থানা ধীন এলাকায় ক্রাইম আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। আশারাখি জিরো টলারেন্স নিয়ে যাবো আমাদের থানাধীন এলাকা অনুযায়ী পুলিশের সংখ্যা কম। এছাড়া পুলিশের ডিইটিরত যানবাহনের ব্যবস্থা খুবই নাজুক।পুলিশ রোডে দাড়িয়ে রিকোজিশনের গাড়ি ধরে ধরে ডিউটি করতে হচ্ছে।আমার থানাধীন এলাকায় সরকারী দলের সাথে বিরোধী দলের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ বা মারামারি নেই।হালুয়া রুটি নিয়ে কিছু পাতি নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ হয় তা আবার একই দলের পরিচয় পাওয়া যায়্ অংগ সংগঠনের। আসলে তাদের মূল দলের সদস্য পদ নেই এই ক্রিমিন্যলদের।তিনি আরো বলেন অক্টোবর মাসে ১০টি সাজা প্রাপ্তপলাতক আসামী এবং জি আর , সি আর এর ওয়ারেন্টেড১শ’৮১জন আসামী গ্রেপ্তার করতে পেরেছি। এরপরও বলবো মানুষ একশ পারন্টে ভালো রাখতে পারে না। তারপরও বলবো জেলার অন্যাণ্য থানার চেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার আইন শৃংঙ্খলা আল্লাহর রহমতে ভালোই আছ্।েএকটি মার্ডার হয়েছে তার আসামী গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। ফতুল্লা মডেল থানাটি মডেল নামে নয় কাজে পরিনত করে যাবো( ইনশাল্লাহ) এজন্যে এলাকার জনপ্রতিনিধি,পঞ্চায়েত সাংবাদিক ভাইরা এবং গন্যমান্য ব্যক্তিদের এগিয়ে আসতে হবে এবং তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে ।তাহলেই মডেল থানার ্ক্রাইম জিরো টলারেন্স করতে পারবো।আমাদের এমপি মহোদয়,জেলার এসপি স্যার সহ যারা আছেন তারা আমাকে সহযোগিতা করায় জুয়া,মাদক সহ নানা অপরাধ হ্রাস করতে অনেকটাই সক্ষম হয়েছি।সাংবাদিক ও সম্পাদক ভাইরা আমার ভালো কাজগুলোকে সাপোর্ট ভুলগুলোকে ধরিয়ে দেয়ায় আমি ফতুল্লা এত বড় জনবহুল বিশাল এলাকাটির আইন শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে পেরেছি।
এলাকাবাসী ও সচেতন মহর ,মনে করেন ফতুল্লা থানায় বেশ কয়েকজন কনষ্টেবল,এএসআই এসআই আছে যারা এই থানায় এবং এই জেলায় দীর্ঘদিন কর্মরত রয়েছে ।ফলে তাদের জন্যে মাদক উদ্ধারসহ নানা অপরাধ দমনেএকটু সমস্যা আছে।এদের সাথে অপরাধীদের পরিচিতি থাকায় অপরাধীরা চাঙ্গা আছে। আবার যারা নতুন পোটিং নিয়ে ফতুল্লা আসে এরা পুরানো অফিসারদের দাপটে কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে।ফতুল্লা মডেল থানায় মাঝে মধ্যে জমিসংক্রান্ত বিষয় আদালত বসায়। অফিসার খাজনা দেখে বাজনা বাজিয়ে গনেষ উল্টিয়ে দেয়ার মতো অনেক অভিযোগ রয়েছে। যা করছেন থানার অফিসার ইনচার্জের চোখ ফাঁকি দিয়ে। অনেক সময় চেক পোষ্ট ডিউটিরত অফিসার ও কনষ্টেবল মানুষকে তল্লাশীর নামে হয়রানি করেন এমন অভিযোগ জনসাধারনের।হাজতে আসামীর সাথে তা পরিবার দেখা করতে এলে ২শ থেকে ৫শ টাকা গুনতে হয় ঐ পরিবারের।যারা টাকা দিতে পারবে শুধু তারাই আসামীদের সাথে দেখা করতে পারেন । থানায় তিন দফা সেন্ট্রিকে টাকা দিতে হয় ।তবে পুরুষের চেয়ে মহিলা কনষ্টেবল টাকার জন্যে সোর গোল করে বেশি।সু চতুর কনষ্টেবলরা দেখে অফিসার ইনচার্জ কখন বাহিরে বের হবে। তিনি যতক্ষন অফিসে থাকেন ততক্ষন সবাই ভদ্র। তিনি বাহিরের ডিউটিতে গেলেই এই কান্ড ঘটে। অথচ ইনস্পেক্টর তদন্তের কক্ষের সাথেই চলে এমন আচার আচারন।সি সি ক্যামেরা ওপেন করলেই সেন্ট্যিদের কর্মকান্ড দেখা যাবে এমনটাই মনে করেন থানায় সেবা নিতে আসা সাধারন জনগন।গত মাসেও এ তথ্য তুলে ধরলেও কোন প্রকার পরিবতর্ন দেখছেনা সাধারন জনগন।এব্যাপারে থানার সিনিয়র এএপি মো. শরফুদ্দীন ও সফল সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ মো.কামাল উদ্দিনের আবারও হস্থক্ষেপ কামনা দাবী সাধারন জনগনের। ফতুল্লা মডেল থানায় গত অক্টোবরের ৩১ দিনে বিভিন্ন অপরাধে মোট মামলা রুজু হয়েছে ১২০টি।মামলাগুলো হলো, নারীনির্যাতন ১২টি,শিশু নির্যাতন ২টি,অস্ত্র মামলা ৪টি, চুরি মামলা ৯টিঅপহরন মামলা ১টি, মাদক মামলা ৬৮টি, আদার সেকশনেরর মামলা ২৩টি।
ফতুল্লার আইন শৃঙ্খলা জেলার ৭টি থানার মধ্যে ফতুল্লাই সব চেয়ে আইন শৃঙ্খলা উন্নতি রাখতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।এ মাসে মাদক উদ্ধারের পরিমান কম হলেও মামলার পরিমান বেশি যা গত সেপ্টেম্বর মাসের চেয়ে ১৬টি মাদক মামলা বেশি রুজু হয়েছে । ফতুল্লার লালপুর ফাজেলপুর, রেলস্টেশন, দাপা ধর্মগঞ্জ, গাবতলী, মাসদাইর সহ বিভিন্ন এলাকার মাদক হ্রাস করতে স্থানীয় মানুষের সহয়তা চান থানা পুলিশ।তাহলে নির্মূল না হলেও হ্রাস করবেন এমনটাই বলছেন থানার অফিসার মো. কামাল উদ্দিন।
