বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক গৃহবধূ গলাঁয় ফাঁস দিয়ে আতœহত্যা করেছে। গত বুধবার সন্ধ্যায় নীজ ঘরের ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে ঐ গৃহবধূটি আতœহত্যা করে। নিহত শাহিদা বেগম (২৮) বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানার চাপাপুর বর্তমানে ফতুল্লার কাশিপুর খিলমার্কেট এলাকার আঃরহমানের মেয়ে। এদিকে গৃহধূকে হত্যার প্ররোচনার অভিযোগে স্বামী সুজন (৩০) সতীন সাদিয়া (২০) নামের দুইজনকে আটক করেছেন। আটককৃৃতদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করেছেন।
কাশিপুর গ্রাম পুলিশ জোছনা বেগম জানান, গত ৪ বছর পূর্বে বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানার চাপাপুর এলাকার আঃ রহমানের মেয়ে শাহিদাকে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় রংপুর মিঠাপুকুরপাড় যাদবপুর এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে সুজনের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর গ্রামের বাড়ী থেকে জীবিকার টানে ফতুল্লার কাশিঁপুর এলাকার প্রবাসী গিয়াসউদ্দীনের বাড়ীতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে গামেন্টে কাজ করে সংসার চালিয়ে আসছিল। এ এলাকায় থাকাকালীন সময়ে কাশিপুর খিলমার্কেট এলাকার দুলালের মেয়ে সাদিয়া নামের এক মেয়ের সাথে প্রেমের সর্ম্পক্য গড়ে উঠে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সুজন গত ২ বছর পূর্বে সাদিয়াকে বিয়ে করে ভাড়াটিয়া হিসেবে অর্ণ্যত্র বসবাস করে। পরে বিষয়টি শাহিদা জানতে পারায় এ বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রায় সময়ই সুজনের সাথে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো। সুজনও তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সাদিয়ার উপর নির্যাতন চালাতে থাকে। গত বুধবার সন্ধ্যায় শাহিদাকে তার স্বামী সুজন এবং সতীন অমানবিক নির্যাতনসহ মরে যাওয়ার জন্য বলে। এরপর শাহিদা রাগে ক্ষেভে অভিমানে সতীন এবং স্বামীর হত্যার প্ররোচনায় নিজ ঘরের ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আতœহত্যা করে। পরে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে লাঁশ উদ্ধারসহ স্বামী সুজন এবং সতীন সাদিয়াকে আটক করে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামাল উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হত্যার প্ররোচনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। লাঁশ ময়না তদন্তের পর ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন হবে। গ্রেপ্তারকৃতদের পুলিশ আইনের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

