বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রহস্যজনকভাবে এক নির্মান শ্রমিক নিহত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৮টায় পাগলা শান্তিনিবাস এলাকায় অবস্থিত নাছিমা বেগমের নির্মানাধীণ বাড়ীতে পইলিং মেশিনের কাজ করাকালে উক্ত নির্মান শ্রমিক নিহত হয়। নিহত শ্রমিক মোঃ হাসান (২২) ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা কলাকান্দা এলাকার সফিকুর রহমানের ছেলে। এদিকে স্থাণীয়রা অভিযোগ করেছেন, উক্ত বাড়ীর নির্মানাধীন কাজ করাকালে পাইলিং মেশিনের কন্ট্রাকটারের নির্দেশে পাইলিং মেশিন হাসানের উপর ফেলে দিয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। এছাড়া নির্মান শ্রমিকের রহস্যজনক ভাবে নিহত হলেও ঘটনাস্থলে স্থাণীয় পুলিশকে অবহিত না করেই তরিঘরিভাবে লাঁশ গ্রামের বাড়ীর উদ্দেশ্যে পাুঠয়ে দেয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ফতুল্লার পাগলা শান্তিনিবাস এলাকায় নাছিমা বেগমের বাড়ীতে নির্মান কাজ চলছিল। নির্মান কাজ চলাকালে উক্ত পাইলিং মেশিনের কন্ট্রাকটার সাইফুলের সাথে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে হাসানের সাথে বাক বিতন্ডা হয়। এ সময় পাইলিং মেশিনের কাজ চলাকালে কন্ট্রাকটার সাইফুল ক্ষিপ্ত হয়ে ইচ্ছাকৃত ভাবে হাসানকে উদ্দেশ্যে করে পাইলিং মেশিনের বাড়ী লোহার বলটি নিক্ষেপ করে। এ সময় পাইলিং মেশিনের হাসানের পরে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। এদিকে উক্ত ঘটনাকে ধামাচাপ দেওয়ার জন্য নির্মানাধীন বাড়ীর মালিক নাছিমা বেগম এবং কন্ট্রাকটার সাইফুল দুঘর্টনায় হাসান নিহত হয়েছে বলে এমন প্রচারনা চালায়। এমনকি উক্ত বিষয়টি স্থাণীয় থানা পুলিশকে অবগত না করে তরিঘরি লাঁশ ময়মনসিংহ গ্রামের বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
ফতুল্লা মডেল থানার এস আই সাঈদুজ্জামান জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পরিদর্শন করে। পুলিশ যাওয়ার আগেই লাঁশ পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে পুলিশ লাঁশের পিছু নিয়ে ঢাকার পোস্তগোলা পর্যন্ত যাওয়ার পরও লাঁশ বহনকারী ভ্যানটিকে আটক করা সম্ভব নয়।
