বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
গত ২৯ মে(সোমবার)দাপাইদ্রাকপুর এলাকায় মহিলা দিয়ে প্রেমের ফাঁদ পেতে ব্ল্যাকমেইল করার অপরাধ চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: দাপাইদ্রাকপুর এলাকার আ. রহমান কুলির ছেলে মাদক স¤্রাট আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য সফিকুল ইসলাম টুটুল ওরফে ডাকাত টুটুল(২৬),একই এলাকার পিয়াল মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত আফজাল হোসেনের ছেলে রাসেল ওরফে বোতল রাসেল(২৮)এবং দাপাইদ্রাকপুর রেল ষ্টেশন এলাকার মতি মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত আ. সালামের ছেলে মামুন(২৩)।
মামলা সূত্রে জানাযায়, গত শনিবার রাতে ১০/১২জনের একটি টিম মোবাইল ফোনে একটি মেয়েকে দিয়ে চাকুরীজীবী আবু বক্কর সিদ্দিক ও তার বন্দু আশাদুজ্জামান টুটুলকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাকে দাপা ইদ্রাকপুর পাকিস্তানি বিল্ডিং এলাকায় নিয়ে আসে। এখানের আসার পর তাকে আটকে বাড়ির মধ্যে আটক রেখে ওই মেয়েকে পাশে দাঁড় করিয়ে ছবি তুলে মারধর করে স্বর্নালঙ্কার, মোবাইল, টাকা ও মটরসাইকেল রেখে স্থানীয় একটি অফিসে এনে ভয়ভীতি দেখিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রেখে একলাখ টাকা আনার জন্য ছেড়ে দেয়। এ ঘটনায় আবু বক্কর সিদ্দিক ফতুল¬া মডেল থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ গত রোববার মধ্যরাত থেকে অভিযানে নামে। বাদী আবু বক্কর সিদ্দিক আরো জানায়, এ ঘটনার সাথে ডাকাত রকিম(৩০)পিতা আমির হোসেন, তালিবুল(২৫)পিতা- আব্দুর রব, রাজু পিতা অজ্ঞাত, শিশির দেওয়ান পিতা মৃত আরশাফ দেওয়ানসহ প্রায় ৮/১০জন এই ঘটনার সাথে জড়িত।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামাল উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তারকৃত ৩ জন প্রতারক ও অপহরন চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা নারায়নগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মহিলাদের ব্যবহার করে র্ধনাঢ্য ব্যক্তিদের প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে ব্ল্যাক মেইল করে। আমরা এই চক্রের অন্যান সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য তৎপর রয়েছি।
এলাকা সূত্রে জানাযায়, ফতুল্লার রেল ষ্টেশন ও দাপাইদ্রাকপুর পাইলট স্কুল সংলগ্নএলাকা, খোজঁপাড়া ,বেপারীপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় তারা নানা অপরাধ জনিত কর্মকান্ড করে আসছে বলে এলাকারাসীর অভিযোগ। তাদের ভয়ে কেহ মুখ খুলেনা। গত সোমবার পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর এলাকার মানূষ নানা মন্তব্য করছেন একে অপরের সাথে।এই চক্রের সদস্যরা হলো:রকিম, রাজু, টুটুল, রাসেল, বোদেন স্বপন,মামুন,মো. মুসলিমসহ এক ডজন ছিচকে সন্ত্রাসীরা।তারা মাদক সন্ত্রাসবাদ, মানুষকে আটক করে সু কৌশলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয় এই চক্রের সদস্যরা। বিভিন্ন বাসা বাড়িতে ছেলে মেয়ে প্রেমিক প্রেমিকা আটক করে তারা চাঁদাবাজি করে আসছে। তাদের সেল্টার দেয় কতিপয় নামধারী কিছু নেতারা।এই চক্রের অনেকেই নিজেকে কখনও সাংবাদিক ,কখনও পুলিশ ও র্যাবের সোর্স পরিচয় দিয়ে মানুষকে ব্ল্যাক মেইল করে আসছে।
