বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ফতুল্লা মডেল থানা হতে মাত্র ৫শ’গজ দূরে ফতুল্লার ঐতিহ্যবাহী লঞ্চঘাটটি। আর এই লঞ্চঘাটের ইজারাদারের খামখেয়ালী অতিরিক্ত টোল আদায়ের শিকার ও রোসানলে পরতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত দক্ষিনাঞ্চলের লঞ্চ ভ্রমনের যাত্রীদের। এ যেন দেখার কেউ নেই প্রশাসন এর নাকের ডগাই ঘাট ইজারাদারেরা রামরাজ্যত্ব চালাচ্ছে বলে দাবী যাত্রী সাধারনের। চতুর যাত্রীরা প্রতিবাদ করলেই স্থানীয় চিছকে মাস্তান দিয়ে সাইজ করেন বলে সূত্রে জানাযায়। আর এই ঘাট মালিকরা কতিপয় কিছু বিশেষ পেশার লোক এবং প্রশাসনের কিছু লোকদের মাসিক মাশোয়ারা দিয়েই তারা ঘাট পরিচালানা করে আসছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানাযায়। ক্ষমতাশীন দলেরর ছাত্র লীগের সভাপতির আত্মীয়স্বজন ও তেল চোরা ইকবাল চৌধুরী নামে এই ঘাটের ডাক আনে। এই ঘাটের ডাকের শরীক আছে যুবলীগের সভাপতির ছেলে মীর শুভ জাতীয় পার্টির সদর উপজেলার সাংগঠনিক সম্পাদকের ছোট ভাই রাজন চিরা শাহজাহানের ছেলে সহ ১ ডজন পার্টনার ফলে তাদের ক্ষমতার চাবীর জোর একটু বেশি। এই ইজারাদারেরা ঘাটে যাত্রীদের কাছ থেকে জোর পূর্বক টোল আদায় করে আসছে বলে যাত্রী সাধারন জানান। একটি হাসঁ বা একটি মুরগীও নিয়ে আসে তাদের কাছ থেকে ৫০ টাকা থেকে ৮০ টাকা টোল আদায় করে নেয়। ফতুল্লার লঞ্চ ঘাটে মালিকের চেয়ে চামচার পরিমান বেশি, কোন যাত্রী অতিরিক্ত টোল আদায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাকে ঘাটের পালিত চামচারা নাজেহাল করে তুলে। টোল আদায়কারী কর্মচারী তোষামোদি কালাম ওরফে বরিশাইল্লা কালামের দাপট নাকি একটু বেশি । এই কালাম যাত্রীদের সাথে বেশি র্দূব্যবহার করেন এমনটাই বলেন যাত্রী সাধারন। এই কালামের জন্য ফারুক চৌধুরীর আমলেও যাত্রী কমে যায়। আবার বর্তমান ইজারাদারের অতিরিক্ত চামচামী করে সে তাদের মনে জায়গা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আসলে কালাম একটা দুমুখী সাপ সে রাতে ফারুক চৌধুরীর লোক দিনে রোজগারের দায়ে ইকবাল চৌধুরীর লোক সাজেন। অনেক সময় গলায় ধাক্কা দিয়ে টোল নেয় ঘাটে থাকা টোল আদায়কারীরা। ফতুল্লা লঞ্চঘাটের অতিরিক্ত টোল নেয়ায় এবং নাজেহালের ভয় আগের তুলনায় দিন দিন যাত্রী কমে যাচ্ছে।
এব্যাপারে রাঙ্গাবালী থেকে আসা যাত্রী আবুল হেসোন(৫৫) জানান, আমি একটি বস্তায় লেপ তোষক এবং আরেকটি বস্তায় ব্যবহৃত কাপড় চোপড় নিয়ে আসি ,আমার কাছে ৪শ টাকা চাওয়া হয় পরে অনুনয় বিনয় করে ১৮০টাকা দিয়ে মালমাল নিয়ে ঘাট থেকে সড়কে উঠি। আমতলী থেকে আসা নাজমা বেগম(৩৫) জানান, আমি একটি রাজহাঁস ও একটি মুরগী আনি আমার কাছ থেকে ১৫০টাকা রেখেছে। গলাচিপার আমখোলা গ্রামের রাজু প্যাদা(৫৬) জানান, তিনি মদিনা হার্ডওয়াডের দোকান থেকে দুইটি ড্রাম কিনে গ্রামে পাঠায়। তার কাছ থেকে ১৫০টাকা টোল নিয়েছে ঘাট মালিরা। মাত্র সাড়ে ৬শ টাকার ড্রামে ১৫০ টাকা ঘাটে টোল দিতে হলো তাহলেই বুঝেন তাদের ব্যবহার কত ভালো এমনটাই বললেন রাজু প্যাদা। ঘাটে দোল আদায় করে বিন্দু ।তার মেয়েদের গৃহ শিক্ষক পটূয়াখালীর লঞ্চে গ্রামের বাড়ি থেকে ২০ কেজি চাউল নিয়ে আসেন। তার কাছে ৩শ’ টাকা চায় টোল আদায় কারী কর্মচারীরা । সে অনুনয় বিনয় করে ২শ টাকা দিয়ে ঘাট থেকে মালামাল নিয়ে বের হয়। তিনি যুবলীগ সভাপতি মীর সোহেল আলীর পরিচিত একজন আওয়ামীলীগ কর্মী। তার সাথে স্ত্রী সন্তান থাকায় সে কোন প্রতিবাদ না করে চলে যায় তার বাসায়। পরে সে ফতুল্লা অনেক সাংবাদিকের কাছে তার কষ্টের কথাগুলো বলেন এই মাষ্টার সাহেব। ঈদের আগে ঘাটে টহল পুলিশ থাকা সত্বেও তাদের সামনেই খামখেয়ালী ভাবে টোল আদায় করেন বলে যাত্রীরা জানান। তাই ভয়ে কেহ প্রতিবাদ করেননা । প্রতিদিনেই চলে এই অবলিলা খেলা ফতুল্লার লঞ্চঘাটে। এব্যাপারে জেলা পুলিশের ‘ক’ অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফতুল্লা মডেল থানার সৎ অফিসার মো. শরফুদ্দীনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন দক্ষিনাঞ্চলের যাত্রী সাধারন।
এব্যাপারে ঘাট মালিকদের কাছে জানতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বিকার করেন।তাদের দাবী কুচক্রিমহল ঘাটের ইজারার ডাক না পেয়ে ষড়যন্ত্র করছে।
