বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীদের ৭১ ভাগের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির নীচে। আর ৮০ ভাগই ব্যবসায়ী। প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানিয়েছে সু শাসনের জন্য নাগরিক–সুজন। কাউন্সিলর প্রার্থীদের অধিকাংশই কালো টাকার মালিক ও মামলার আসামী। এজন্য ভোটারদের সচেতন হ্ওয়া তাগিদ দেন সুজন’র নেতৃবৃন্দ।
রবিবার বেলা সাড়ে এগারোটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে সুজন এর নের্তৃবৃন্দ এ আহবান জানান। ভোটারদের পাশাপাশি প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহবানসহ অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতিও তারা দাবী জানান। এছাড়া নির্বাচনে আচরণবিধির কথা মনে রেখে প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার প্রচারণায় অংশগ্রহন থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি আহবান জানান। এছাড়া ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা যাতে কোন বিশেষ প্রার্থী বা দলের অনুগত হয়ে কাজ করতে না পারে সে ব্যাপারে বিশেষ লক্ষ্য রাখার জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান সুজন এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দীলিপ সরকার। লিখিত বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র, সংরক্ষিত নারী ও সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীদের হলফনামা অনুযায়ী তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয়ের উৎস, ঋণ খেলাপী ও মামলায় জড়িত প্রার্থীদের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়।
আগামী ১৭ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিশিষ্ট নাগরিকদের উপস্থিতিতে নির্বাচনের মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠান করবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। জনতার মুখোমুখি অনুষ্ঠানে সাধারণ নাগরিকরা মেয়র প্রার্থীদের প্রশ্ন করতে পারবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সুজন এর কেন্দ্রীয় সহযোগী সমন্বয়ক সানজিদা হক, জেলা সভাপতি আবদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ধীমান সাহা জুয়েল, সহ-সাধারণ সম্পাদক এস এম এইচ টিটু, আঞ্চলিক সমন্বয়ক মশিকুল ইসলাম শিমুল। এর আগে একই আহবান ও বিভিন্ন দাবীতে তারা নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন।
