বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে বানচাল করতে লন্ডন প্রবাসী তারেক রহমানের নের্তৃত্বে জামাত শিবির ও আই এস নাশকতার কেন্দ্র হিসেবে নারায়ণগঞ্জকে বেছে নিয়েছে এবং আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে নাশকতার ঘটনার আশংকা করছেন সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের রাইফেল ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মহাজোট প্রার্থী সংসদ সদস্য শামীম ওসমান গণমাধ্যমের কাছে এ আশংকার কথা জানান। তিনি আরো জানান, বাংলাদেশের নির্বাচনকে বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নাশকতার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জকেও তারা বেছে নিয়েছে। ২১ আগস্ট হামলার মূল নায়ক আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী তারেক রহমানের সরাসরি নেতৃত্বে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তানের আই এস আই এর নেটওয়ার্ক দেশে নির্বাচন বানচালের একটি প্রক্রিয়া ঘটাবে। এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে তারা এ চেষ্টা করবে। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন তারই একটি অংশ বলে মনে করেন শামীম ওসমান। তিনি জানান, পাকিস্তানি দূতাবাস থেকে কিংবা পাকিস্তানের নাগরিকও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন জায়গায় আনাগোনা করেছেন বলে গত চার পাঁচদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে এ ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাদের একাধিক গোপন বৈঠকও হয়েছে এবং মাদ্রাসার কোমলমতি ছাত্রদের তারা নাশকতার কাজে ব্যবহার করবে। শামীম ওসমান জানান, বাংলাদেশে তাদের দোসর হিসেবে কাজ করছে জামাত শিবির, জঙ্গি ও যুদ্ধাপরাধীদের আই এস আই এর একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। তিনি আশংকা করেন, নির্বাচনের প্রার্থী, আইন শৃংখলা বাহিনী, নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষ, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবিরা নির্বাচন বানচালকারীদের টার্গেট হতে পারেন। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় তার নির্বাচনী ক্যাম্প আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও শামীম ওসমান উল্লেখ করেন। এ পরিস্থিতি মোকাবেলর জন্য স্বাধীনতার পক্ষের সব শক্তিকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে শামীম ওসমান বলেন, নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনের সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতেই তার আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী হিসেবে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। যার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জে নাশকতার জন্য প্লট তৈরী করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা তাদের শেষ থাবা হতে পারে এবং আগামী দুই এক দিনের মধ্যেই সেটা প্রতীয়মান হবে। তিনি নারায়ণগঞ্জে অবস্থারত সব বিদেশী নাগরিক ও বিশেষ করে পাকিস্তানি নাগরিকদের নজরদারিতে রাখার জন্য প্রশাসনের কাছে আহবান জানান।

