বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের দুই শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর ও ফতুল্লা মডেল থানায় এবং রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য বিশেষ ক্ষমতা আইনে এই তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।
এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির ২০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০ জনকে আসামী করে সদর মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন পিএসআই প্রবীর কুমার রায়।
রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) মামলায় ৪ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চিটাগাং রোড এলাকার হাসান ও আফজাল, ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকার হাবিবুর রহমান এবং সোনারগাঁয়ের মনিরুল।
মামলায় অন্যান্য আসামীরা হলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ বিশ^াস, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, মাসকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, সহ-সভাপতি হাজী নুরুদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক এড. সরকার হুমায়ুন কবির, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম নেতা এড. আব্দুল হামিদ খান ভাষানী, এড. এইচ এম আনোয়ার প্রধান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি আবুল কাউসার আশা, যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি রাফিউদ্দিন রিয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাগফুরুল ইসলাম পাপন, ফারুক চৌধুরী, সদর থানা ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম আপন, মহানগর ছাত্রদল নেতা মনির হোসেন খানসহ অজ্ঞাত ২০ জন।
মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম পিপিএম জানান, ‘গত ৮ সে্েপটম্বর সকালে আসামীরা সরকার উৎখাত ও দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে চাষাড়া বালুর মাঠের তিতাস গ্যাসের অফিসের সামনের নাশকতার পরিকল্পনা করতে জড়ো হয়েছিল। সেখান থেকে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে এবং তাদের কাছ থেকে ২ টি স্কচটেপ মোড়ানো ককটেল ও ৬টি ভাঙ্গা ইটের টুকরা উদ্ধার করে।’
অপরদিকে, একইদিন বিকেলে জামতলায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের পশ্চিম পাশে নাশকতার পরিকল্পনা করার সময় বিএনপির দুই কর্মীকে গ্রেফতার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
এঘটনায় এদিন রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের ৪৮ জন নেতার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭৫ জনকে আসামী করে বিস্ফোরক দ্রব্য বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে উপ-পরিদর্শক শাফিউল আলম।
মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এড. তৈমূর আলম খন্দকার, সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার, মহানগর যুবদলের আহবায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, খোপা ইকবাল, আকরাম প্রধান, জাকির, খন্দকার মনির, সরকার আলম, জেলা ছাত্রদল সভাপতি মশিউর রহমান রনিসহ ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৭৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
তবে এই মামলায়ও অদৃশ্য কারনে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম ও সাধারন সম্পাদক এড. আবুল কালাম আজাদ বিশ^াসকে আসামী করেনি পুলিশ।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো: মঞ্জুর কাদের পিপিএম জানান, ‘আসামীরা জামতলায় নাশকতার প্রস্তুতিকালে সেখান থেকে ২ জনকে আটক করে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫ টি ককটেল ও ৩০ টি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে।’
এছাড়াও নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ৪০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় দুজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, জিয়াউদ্দিন বিজয় (৩৫) ও রমজান ভূঁইয়া (৩৮)।
মামলায় আসামীরা হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াসউদ্দিন আহম্মেদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নুর উদ্দিন, আলী আহমেদ লালা ব্যাপারী, আলী আকবর হোসেন, নাসিক কাউন্সিলর জি এম সাদরিল, টি এইচ তোফা, আব্দুল হাই রাজু, ইকবাল হোসেন, তৈয়ব আলী, আখিল উদ্দিন ভূঁইয়া, মাজেদুল ইসলাম, মমতাজ উদ্দিন মন্তু, জুয়েল রানা, মনিরুজ্জামান রবি, মানিক, মোক্তার হোসেনসহ অজ্ঞাত ২১ জন।
মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাত্তার জানান, শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোডস্থ গিয়াসউদ্দিনের নির্মানাধীন একতলা ভবনে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ২৫/৪০ জন বিভিন্ন অস্ত্র শস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার গোপন বৈঠক করছিল। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাবার সময় দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল, ১০টি বাঁশের লাঠি ও ৮টি কাঠের লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে।
সদর ফতুল্লা সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপির আসামী তিনশ
নিউজ প্রাচ্যের ডান্ডি: সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের দুই শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে সদর ও ফতুল্লা মডেল থানায় এবং রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য বিশেষ ক্ষমতা আইনে এই তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।
এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির ২০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০ জনকে আসামী করে সদর মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন পিএসআই প্রবীর কুমার রায়।
রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) মামলায় ৪ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চিটাগাং রোড এলাকার হাসান ও আফজাল, ফতুল্লার শিবু মার্কেট এলাকার হাবিবুর রহমান এবং সোনারগাঁয়ের মনিরুল।
মামলায় অন্যান্য আসামীরা হলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. আবুল কালাম আজাদ বিশ^াস, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, মাসকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান, সহ-সভাপতি হাজী নুরুদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক এড. সরকার হুমায়ুন কবির, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম নেতা এড. আব্দুল হামিদ খান ভাষানী, এড. এইচ এম আনোয়ার প্রধান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি আবুল কাউসার আশা, যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র সহ সভাপতি রাফিউদ্দিন রিয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাগফুরুল ইসলাম পাপন, ফারুক চৌধুরী, সদর থানা ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম আপন, মহানগর ছাত্রদল নেতা মনির হোসেন খানসহ অজ্ঞাত ২০ জন।
মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম পিপিএম জানান, ‘গত ৮ সে্েপটম্বর সকালে আসামীরা সরকার উৎখাত ও দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে চাষাড়া বালুর মাঠের তিতাস গ্যাসের অফিসের সামনের নাশকতার পরিকল্পনা করতে জড়ো হয়েছিল। সেখান থেকে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে এবং তাদের কাছ থেকে ২ টি স্কচটেপ মোড়ানো ককটেল ও ৬টি ভাঙ্গা ইটের টুকরা উদ্ধার করে।’
অপরদিকে, একইদিন বিকেলে জামতলায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের পশ্চিম পাশে নাশকতার পরিকল্পনা করার সময় বিএনপির দুই কর্মীকে গ্রেফতার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
এঘটনায় এদিন রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের ৪৮ জন নেতার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৭৫ জনকে আসামী করে বিস্ফোরক দ্রব্য বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করে উপ-পরিদর্শক শাফিউল আলম।
মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এড. তৈমূর আলম খন্দকার, সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমিন সিকদার, মহানগর যুবদলের আহবায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, খোপা ইকবাল, আকরাম প্রধান, জাকির, খন্দকার মনির, সরকার আলম, জেলা ছাত্রদল সভাপতি মশিউর রহমান রনিসহ ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৭৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
তবে এই মামলায়ও অদৃশ্য কারনে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম ও সাধারন সম্পাদক এড. আবুল কালাম আজাদ বিশ^াসকে আসামী করেনি পুলিশ।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো: মঞ্জুর কাদের পিপিএম জানান, ‘আসামীরা জামতলায় নাশকতার প্রস্তুতিকালে সেখান থেকে ২ জনকে আটক করে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৫ টি ককটেল ও ৩০ টি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে।’
এছাড়াও নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ৪০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় দুজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, জিয়াউদ্দিন বিজয় (৩৫) ও রমজান ভূঁইয়া (৩৮)।
মামলায় আসামীরা হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াসউদ্দিন আহম্মেদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নুর উদ্দিন, আলী আহমেদ লালা ব্যাপারী, আলী আকবর হোসেন, নাসিক কাউন্সিলর জি এম সাদরিল, টি এইচ তোফা, আব্দুল হাই রাজু, ইকবাল হোসেন, তৈয়ব আলী, আখিল উদ্দিন ভূঁইয়া, মাজেদুল ইসলাম, মমতাজ উদ্দিন মন্তু, জুয়েল রানা, মনিরুজ্জামান রবি, মানিক, মোক্তার হোসেনসহ অজ্ঞাত ২১ জন।
মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাত্তার জানান, শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোডস্থ গিয়াসউদ্দিনের নির্মানাধীন একতলা ভবনে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ২৫/৪০ জন বিভিন্ন অস্ত্র শস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার গোপন বৈঠক করছিল। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাবার সময় দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে ৫টি অবিস্ফোরিত ককটেল, ১০টি বাঁশের লাঠি ও ৮টি কাঠের লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে।
