বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে স্ত্রী পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়ার খবর শুনে ঘরের আড়ার সাথে কাপড় বেঁধে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আতœহত্যা করেছে মাসুদ(৩০)নামে এক নববর। রোববার বিকেলে থানার নবীগঞ্জস্থ কদমরসুল কলেজ মাঠ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত মাসুদ কুশিয়ারা এলাকার আবদুল আজিজের ছেলে। প্রায় ৩ মাস পূর্বে আলীনগর এলাকার নাজির মিয়ার মেয়ে নাহিদার সঙ্গে তার সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। ওই বিয়েতে নাহিদার আপত্তি থাকলেও স্বজনরা তাকে জোরর্প্বূক বিয়ে দেয়। যে কারণে বিয়ের পরও নাহিদা তার আগের প্রেমিকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করতো। কিছুদিন পূর্বে বিষয়টি জানাজানি হলে ৪দিন আগে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। সে সময় নাহিদা রাগ করে স্বামীর বাড়ি থেকে অন্যত্র অবস্থান করে। রোববার বিকেলে মাসুদ কাজ শেষে তার ভাড়া বাসায় গিয়ে জানতে পারে তার স্ত্রী পরকীয়া প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে। একথা শোনার পর পরই ঘরের আড়ার সাথে কাপড় বেঁধে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আতœহত্যা করে।
খবর পেয়ে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ সালাউদ্দিন নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এদিকে আতœহত্যার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে বন্দর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল নিরীহ মাসুদের পরিবারকে মামলা না করার জন্য চাপ দেয় এবং কলাগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি আবুল কাশেমের মধ্যস্থতায় বিষয়টি নিস্পত্তি করে দেয়। একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে মুকুলের এহেন ভূমিকা সর্বত্রই সমালোচনার ঝড় তোলে।
