বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
র্যাব ১১’র অভিযানে রাজধানীর ডেমরা এলাকা থেকে জেএমবির তামিম সারোয়ার গ্রুপের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
র্যাব ১১’র সিনিয়র সহকারি পরিচালক মো. শাকিল আহমেদ এক প্রেস বিঙ্গপ্তিতে জানান, গত ১৯ জুলাই রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে রূপগঞ্জ থানার মামলা ২৭(৬)১৭ মামলার এজহারভুক্ত আসামী জেএমবির সক্রিয় সদস্য তুষার হাবিব ওরফে আইয়ুব (২৬), আবু বকর ছিদ্দিক (৩৫)। তারা নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার বাসিন্দা। তারা ইউনানী ব্যবসায়ের অন্তরালে জেএমবির দাওয়াতে এহসান শাখার কাজ করে আসছে।
সে ২০১১ সালে এসএসসি পাশ করার পর থান কাপড়ের ব্যবসা শুরু করে। থান কাপড়ের ব্যবসা করার সময় জনৈক ইউনুস হুজুরের মাধ্যমে জেএমবির আদর্শে উজ্জিবিত হয়ে জঙ্গীবাদে অন্তর্ভূক্ত হয় এবং জনৈক ইউনুস হুজুরের মাধ্যমে জসিম উদ্দিন রাহমানির মসজিদে যায়।
এরপর সে ২০১৫ সাল থেকে পুরোদমে জিহাদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জেএমবির পক্ষে দাওয়াতী কাজ শুর করে। এই পর্যন্ত সে ১০-১২ জনকে জেএমবির আদর্শে অনুপ্রাণিত করে জেএমবির (সারোয়ার-তামীম) গ্রুপে যোগদান করিয়েছে। এছাড়াও মো. তুষার হাবিব শারিরীক প্রশিক্ষণ শেষে সামরিক শাখায় যোগদানের অপেক্ষায় ছিল।
অন্যদিকে মোঃ আবু বক্কর ছিদ্দিক (৩৫) জেএমবির (সারোয়ার-তামীম গ্রুপের) একজন ‘গায়েরে এহসার’ সদস্য। বিগত ১৩ বৎসর ধরে ঢাকায় বসবাস করে। সে ২০১৩ সালে মুফতি মো. জসিম উদ্দিন রাহমানির কাছে যাতায়াত শুরু করে এবং তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জঙ্গীবাদে প্রবেশ করে।
পরবর্তীতে সে বিগত ২০১৫ সালের শুরুতে জনৈক আব্দুল্লাহ এর মাধ্যমে জেএমবিতে (সারোয়ার-তামীম গ্রুপের) যোগদান করে এবং সক্রিয় সদস্য হিসেবে দাওয়াতী কার্যক্রম শুরু করে। সে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার অন্তরালে ঢাকার শ্যামপুর এলাকায় জেএমবির দাওয়াত প্রচার করে আসছিল। সে জেএমবির (সারোয়ার-তামীম গ্রুপের) অন্যান্য সদস্যের সাথে যোগাযোগ করত এবং জেএমবি এর দাওয়াতী বিষয়ক জ্ঞান নিয়ে বিভিন্ন মানুষের মাঝে দাওয়াত দিত।
