বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পুলিশ নগরীর চিহ্নিত জুয়াড়ীদের আস্তানা গুড়িয়ে দিয়ে সেখানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলামের নির্দেশ ক্রমে চিহ্নিত জুয়াড়ীদের এই আস্তানায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের কর্মান্ড এখানে না চলে তাও জানিয়ে দেয় পুলিশ।
বুধবার (১০জুলাই) বিকাল ৪টার দিকে শহরের জিমখানার বস্তি এলাকায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এস,আই) আশরাফুল আলম ও (এস,আই) মোস্তাফিজ ও সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স সহ নগরীর চিহ্নিত জুয়াড়ীদের আস্তানায় গিয়ে সেখানে তার ঝুলিয়ে দেয়।
অভিযান পরিচালনা করে তারা জানান, নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলাম স্যারের নির্দেশক্রমেই আমরা এ অভিযানটি চালিয়েছি। চিহ্নিত এসব জুয়াড়ীদের আস্তানা এখানে থাকবে না।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামরুল ইসলাম জানান, জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ স্যারের নির্দেশে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। শহরের ভেতরে কোন চিহ্নিত জুয়াড়েিদর স্থান থাকতে দেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য, এর আগে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদের নির্দেশে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এবং কালিরবাজার থেকে একই মালিকানার পৃথক দুটি জুয়াড় আসরে ব্লকরেড দিয়ে প্রায় অর্ধশাতাধিক জুয়াড়িকে আটক করা হয়। ওই ঘটনার পর বন্ধ হয়ে যায় শাজাহান ওরফে ছোট শাজাহানের জুয়াড় জম জমাট আসরটি।
সূত্র থেকে আরো জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে প্রশাসনের নানা ব্যক্তিদের কাছে তদবির করেও ব্যর্থ হয়েছেন নানুœ মিয়ার ছেলে শাজাহান ওরফে (ছোট শাজাহান) কিছুদিন পূর্বে ফের জিমখানা এলাকায় একটি দোতলা ঘর ভাড়া নিয়ে জুয়াড় আসর বসিয়েছে। এখানে প্রতিদিনই কয়েক লাখ টাকার জুয়া খেলা হয়ে থাকে। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িরা এই আস্তানায় এসে জড়ো হয়। দিনরাত্রি এখানে জুয়া খেলা চলে। এর মূল নেতৃত্বে রয়েছে ছোট শাজাহান। তাকে সহযোগিতা করছে কথিত ডিবি পুলিশের সোর্স ইয়াবা অপু ও মাসুম নামে দুই ব্যক্তি। জিমখানার ওয়ালটন প্লাজার পাশে অবস্থিত অঞ্জন নামের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন দোতলা ঘরেই জমে জুয়ার আসর। ঘরটি প্রতিদিন দু হাজার টাকায় ভাড়ায় নিয়েছে ছোট শাজাহান। আর এখানেই প্রতিদিন বসছে জুয়ার আসর।
