বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
বিএনপির নির্বাহী কমিটির বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য বিএনপি যখন ক্ষমতায় আসে । জাতিকে উন্নয়ন করার জন্য আসে। মোটকথা জাতিকে উন্নত করার জন্য বিএনপি নতুন ভাবনার কথা বলে। এখন আসুন ২৭ দফার কথা আমরা মনে করি বাংলাদেশের মানুুষ অনিবার্য ভাবে সরকারের একটি পরিবর্তন চায়। সেজন্য আমরা ১০ দফায় বলেছি অনতিলম্বে এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। কারন সরকার ভোটবিহীন রাতের বেলায় তারা ক্ষমতা দখল করেছে। বাংলাদেশে যে নির্বাচন হয় এটা কোন নির্বাচন ভোট আগের দিন হয়ে যায়। আপনি প্রার্থী হবেন আপনার বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে দিবে, আপনাকে পুলিং এজেন্ট দিতে দিবে না তারা। যদি কেউ সাহস করে তার উপর পরের দিন হামলা করা হয়।
সোমবার দুপুরে (৯ জানুয়ারী) শহরের মিশনপাড়া হোসিয়ারী সমিতি প্রাঙ্গণে বিএনপির ঘোষিত যুগপৎ আন্দোলনের ১০ দফা দাবি ও রাষ্ট্রকাঠামো রুপরেখা নিয়ে ব্যাখা ও বিশ্লেষন শীর্ষক নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ব্ক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, নির্যাতন হয় , নিপীরণ হয় এই যে ভয়ভীতির মধ্য দিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থা দাড়িয়ে গেছে। একটা এমন অবস্থা দাড়িয়ে গেছে আমরা ছাড়া কেউ নির্বাচন করতে পারবিনা। এভাবে চলতে থাকে তাহলে এই সরকারকে সড়ানো সম্ভব না। সরকার বুঝে গিয়েছে আমি যদি নির্বাচন দেই। আর যদি প্রকৃত নির্বাচন হয় তাহলে সেই নির্বাচনে আওয়ামীলীগে জিতার কোন সুযোগ নাই।
তিনি আরো বলেন, আপনারা জেনে থাকবেন আমেরিকা ও ইউরোপে দেশগুলো তারা বলতেন। বাংলাদেশে ফ্রি এন্ড ফেয়ার ইলেকশন চাই। এখন কিন্তু গত সপ্তাহ থেকে একটি নতুন শব্দ যোগ করেছেন আমেরিকা। বলছেন জেনুইন ইলেকশন ফ্রি এন্ড ফেয়ার হলে শুধু চলবে না। অর্থ্যাৎ প্রকৃত নির্বাচন হতে হবে। নির্বাচন মানে হচ্ছে প্রতিযোগীতা থাকতে হবে। আমরা কর্মসূচি করতে পারছিনা। বিএনপি কেন স্বাধীনভাবে কর্মসূচি করতে পারচ্ছেনা। আওয়ামীলীগও পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে। তাহলে বিএনপি কিভাবে কর্মসূচি করবে। আমাদের বাঁধা দিলে জনগনের কাছে কিভাবে যাবো আমরা। জনগরই তো আমাদের কথা বিবেচনা করবে আমরা সঠিক কথা বলছি কিনা। আমাদের ভাগ্য নিধারণ করবে জনগন। সেই জনগনের কাছেই তো আমাদের যেতে দিচ্ছেন না।
ইভিএম মেশিনে নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নানাভাব্ েআমাদের চাপের মধ্যে রাখছেন । তারপর আপনাদের মেশিন টেশিন আছে সেগুলো দিয়ে আপনার বেশী ভোট পাইছেন। আমরাতো এই মেশিনটাই বিশ্বাস করিনা। সারা পৃথিবীর বড় বড় দেশগুলো কেউ এই মেশিন চায়না। জার্মানে আইন করে এই মেশিন নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে । পৃথিবীতে মাত্র চারটা দেশে এই মেশিন চলে। তাও কিছু কিছু জায়গায় চলে। তাছাড়া কোন জায়গায় চলে না। এই মেশিনে ভোট জালিয়াতি করার সুযোগ রয়েছে। এই মেশিন দিয়ে প্রকৃত নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়।
যেখানে বিশ্বের বেশীরভাগ জায়গায় এই মেশিন চলে না সেখানে আমরা কেন এই মেশিনে ভোট দিবো।
এসময় মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খানের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ থান টিপু,য্গ্নু আহ্বায়ক এম এইচ মামুন সহ মহানগর বিএনপি বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃনদ যুবদল, সেচ্ছাসেবকদল, শ্রমিকদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

