বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
আমার অপরাধ ছিল আমি নারায়ণগঞ্জে গোলাম আজমকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করেছি। এটাই আমার অপরাধ।আমার অপরাধ আমি প্রথম জঙ্গীদের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলাম।আর অপরাধে তাই আমি ২০০১ সালে ১৬ জুন বোমা হামলায় আহত হই। সেইদিন আমার সাথে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের ২০ জন নেতাকর্মী নিহত হয় বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসসনের সাংসদ শামীম ওসমান।
শনিবার বিকেলে রাইফেল ক্লাব প্রাঙ্গনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৯ তম জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৯ উপলক্ষে সংগীত,আবৃত্তি ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামীম ওসমান এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ১৬ জুন বোমা হামলায় সেই দিন অনুভূব করেছিলাম রক্ত কত গরম।বোমা বিস্ফোরনের সাথে সাথে আমি মাটিতে লুটিয়ে পরি। তখন কারো ছেড়া পা, কারো মাথা অফিসের সিলিং এ ঝুলে ছিল চারদিকে ছিন্ন ভিন্ন মানবদেহ।সমস্ত অফিস জুড়ে রক্ত আর রক্ত। একটু পরেই আমি জ্ঞান হারাই। আমাকে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় আমার জ্ঞান আসার সাথে সাথেই বলেছিলাম আমার নেত্রী শেখ হাসিনাকে বাঁচান।
তিনি আরো বলেন, দেশে আবার বড় ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বারবার স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির উপর আঘাত আনা হচ্ছে। গত তিনি দিন আগে আমি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে চক্রান্ত হচ্ছে সেই বার্তা পাঠিয়েছিলাম। স্বাধীনতা বিরোধী পরাজিত শক্তিরা আবার বড় ধরনের খারাপ কিছু করার সুযোগ খোজছেন। বার্তা পাঠানো তিনদিন প্রধানমন্ত্রী সংসদে এই বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন।এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন খুব সতর্ক।
তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী অনেক অল্প বয়সে এই দেশের হাল ধরেছিলেন। তার নেতৃত্বে দেশে আজ উন্নয়নের জোয়াড় বইছে। আর সেই উন্নয়ন জোয়াড়কে বাঁধাগ্রস্থ্য করতে দেশ ধ্বংস করতে পরাজিত শক্তিরা পায়তারা চালাচ্ছে। তারা বিভিন্ন চক্রান্ত করছে। আপনার সবাই সতর্ক থাকবেন।
এসময় রাইফেল ক্লাবের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারয়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকা, জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ, রাইফেল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খালেদ হায়দার খান কাজল, সদর ইউএনও নাহিদা বারিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) সুবাস চন্দ্র সহ অন্যান্যরা।

