বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
জেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মাওলানা আব্দুল আউয়াল বলেছেন, বাংলাদেশটাকে তারা শুধু নিজের মনে করছে। যখন চাইবা পুলিশ বাহিনী দিয়া গুলি করবা, এইটা হতে দেওয়া যায় না। একটা কসাইকে সম্মান দিতে গিয়ে ঈমানদার ভাইদের রক্ত ঝরিয়েছ। এই বিচার হবে। আল্লাহ বিচার করবে। গুলি করতে চাইলে করো, বুক পেতে দিলাম। পুলিশ ভাইয়েরা, অস্ত্র ছাইড়া আমাদের সারিতে আসেন। তখন বুঝতে পারবেন, আপনাদের কত শক্তি। আপনারা ঈমানি শক্তির সাথে পারবেন না। নবী, সাহাবীরা রক্ত দিয়েছে। আমরাও দিতে রাজি আছি।
শনিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে শহরের ডিআইটি এলাকায় বঙ্গবন্ধু সড়কে অনুষ্ঠিত হেফাজতের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, কী অপরাধ ছিল আমার ভাইদের? তাদের গুলিবিদ্ধ করে শহীদ করা হয়েছে। তারা কোনো উশৃঙ্খলতা করে নাই। তারপরও বায়তুল মোকারমের সামনে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের গুন্ডাবাহিনীদের লেলিয়ে দিয়েছিল। মসজিদে হামলা করেছে, গুলি করেছে। ছাত্রলীগের হাতে, সন্ত্রাসীদের হাতে অস্ত্র ও রাম া ছিল। ভিডিওতে আমরা তা দেখেছি। এগুলো দিয়ে আমার ভাইরে উপর হামলা চালানো হয়েছে। আর পুলিশ সেসব সন্ত্রাসীদের সহযোগিতা করেছিল।আল্লাহ তাআলা বাংলাদেশ স্বাধীনতা দিয়েছিল। সেই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে গিয়ে আরেকবার মুক্তিবাহিনী বানিয়ে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সোচ্চার হয়েছি। হরতালকে অবশ্যই আমরা পালন করবো। স্বরাষ্টমন্ত্রীকে বলতে চাই, আপনার পুলিশ বাহিনী, ছাত্রলীগের লোকজনকে কন্ট্রোল করে বিচারের কাঠগড়ায় াঁড় না করান তাহলে আগামীতে বাংলার জনগণ আপনারে বিচার করবে। আমাদের হাতে অস্ত্র নাই। পুলিশের হাতে অস্ত্র, ছাত্রলীগের হাতে অস্ত্র। আমাদের অস্ত্র কেবল আমাদের জবান। জবান খুলে আল্লাহ পাকের কাছে আওয়াজ তুলে দেই। আল্লাহ এই জালিমদেরকে তুমি খতম করে দেও। আমরা তাদের দেখতে চাই না।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ ওলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জাকির হোসাইন কাসেমী, জেলা হেফাজতে ইসলামের সহসভাপতি মাওলানা দ্বীন ইসলাম, মাওলানা দৌলত সরকার, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. বশির উল্লাহ, মহানগরের সভাপতি মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান, সহসভাপতি মুফতি কবির হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মুফতি হারুনুর রশীদ, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা আলী হোসাইন, জেলা মুজাহিদ কমিটির সভাপতি ইসলামী আন্দোলনের নেতা মুফতি মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ।

