বিজয় বার্তা২৪ ডটকমঃ
দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের পর, অভিযুক্ত শাফাত ও তার বাবা আপন জুয়েলার্সের মালিকের কালো টাকার তথ্য প্রকাশ হতে থাকে গণমাধ্যমে। যার সূত্র ধরে অনুসন্ধানে নামে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় শুল্ক গোয়েন্দারা অভিযান চালায় উত্তরা, মৌচাক ও সীমান্ত স্কয়ারের ৫টি শাখায়। হিসাব নেয়া হয় আয়কর ও শুল্কের।
এরআগে গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারে আপন জুয়েলার্সের একটি দোকান বন্ধ থাকায় তা সিলগালা করে দেয়া হয়।
পরে অভিযান চালানো হয় বনানীর রেইন ট্রি হোটেলে। এসময় এখান থেকে বেশ কিছু মদের বোতল উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে হোটেলটির বিরুদ্ধে মামলা করার কথা জানান গোয়েন্দারা।
এদিকে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের মামলা নিতে পুলিশের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান।
গত ২৮ মার্চ আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে শাফাত আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় ৬ মে বনানী থানায় মামলা হয়। গত বৃহস্পতিবার সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয় শাফাত ও সাদমানকে।
