বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
একটি স্বাধীন দেশ এভাবে চলতে পারে না । প্রতিনিয়ত এদেশে হত্যা, গুম ও নির্যাতন চলছে । এই ভোটারবিহীন সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে । একটি সাজানো নাটক সাজিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে পুলিশ । এই সরকার গায়ের জোরে পুলিশ ও র্যাব দিয়ে ক্ষমতায় দিকে আছে । কথায় কথায় উন্নয়নের কথা বলে । কিন্তু উন্নয়নের জোয়ারে না পানির জোয়ারে ভাসছে দেশ । এই জালিম সরকার যতদিন থাকবে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করবে । তাই আমাদের আর ঘরে বসে থাকলেও চলবে না । এদেশের জনগণ কে সাথে নিয়ে এই সরকার পতন ঘটাতে হবে বললেন মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. জাকির হোসেন ।
বুধবার দুপুরে আদালত পাড়ায় মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড. শাখওয়াত হোসেন খান সহ বিএনপির সকল নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল পূর্বক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন ।
তিনি কঠোর হুশিয়ারী দিয়ে বলেন, শহীদ জিয়ার সৈনিকেরা কখনো হামলা মামলা কে ভয় পায় না । আইনজীবি সহ ৭খুন করে এই সরকারের নেতারা পার পায় নাই। আমরা সেই আইনজীবি, যারা একবার মাঠে নামলে এই সরকার এবং সরকারের এমপি মন্ত্রীরা বানের জলে ভেসে যাবে। আগামীতে একটি সহায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে । আর সেই নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্ৰহণ করবে । এই সরকার বিএনপি কে ভয় পায় । বিএনপি কে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই নেতাকর্মীদের নামে এসব মিথ্যা মামলা দিচ্ছে । আমরা এই বিক্ষোভ মিছিল পূর্বে সমাবেশ থেকে এড. শাখাওয়াত হোসেন সহ সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানান।
জেলা আইনজীবী ফোরামের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আজিজুল হক হান্টুর সভাপতিত্বে এ সময়ে বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি এড. মশিউর রহমান শাহীন, এড. সালাউদ্দিন সবুজ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ জাকির, যুগ্ম সম্পাদক এড. আনোয়ার প্রধান, সহ সম্পাদক কামাল হোসেন মোল্লা, জিল্লুর রহমান মুকুল, যুবায়ের আলম জিবন, মাসুদা বেগম শম্পা, প্রমুখ
উল্লেখ্য গত ১১ সেপ্টেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে বিকেলে শহরের মন্ডলপাড়াস্থ আলী আহম্মদ চুনকা টেনিং সেন্টারে আলোচনা সভায় উপস্থিত হতে গেলে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৮ নেতাকে গ্রেফতার করে সদর মডেল থানার পুলিশ। এবং পর দিন শাখওয়াত সহ ৩০-৪০ জন অজ্ঞাতকে আসামী করে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করা হয়।
