বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
উস্কানিকারীদের মুখে চুলকানি দিয়ে এবার নববর্ষ উদযাপনে এক সাথে সাংসদ শামীম ওসমান ও এসপি হারুন। নারায়ণগঞ্জ শহর জুরে আলোচিত ছিল সাংসদ শামীম ওসমান ও জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদের বিরোধের বিষয়টি। তবে এবার প্রমান হল এই বিরোধটি ছিল উস্কানিকারীদের তৈরি বিরোধ।কারন শামীম ওসমান ও এসপি হারুন দুজনই দাবি করে আসছিলেন আমাদের মাঝে কোন বিরোধ নেই।
রবিবার দুপুর ২ টায় জেলা পুলিশ সুপার হারুন’র আমন্ত্রণে তার বাস ভবনে নববর্ষ উদযাপনে ছুটে আসেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রভাবশালী সাংসদ শামীম ওসমান। এসময় এসপি হারুন শামীম ওসমানকে স্বাগত জানান। তার আগমনে সমস্ত অনুষ্ঠানটিকে নিয়ে তৈরি হয় ভিন্ন মাত্রা।
শামীম ওসমান কিছু টা সময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে এসপি সহ সবার সাথে ফটোশেসনে যুক্ত হন। ছবি তোলা আর আলাপচারিতার পর এমপি শামীম ওসমান ও এসপি হারুন এক টেবিলে পান্তা ইলিশ খেতে বসেন। আর খাবার পরিবেশন করেন এসপি হারুন নিজে। দুজনকেই হাসোজ্জল অবস্থায় দেখা যায়।
এসময় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাগন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আব্দুল কাদির, বন্দর থানা আওয়ামলীগের সভাপতি এম এ রশীদ. জেলা বারের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওয়াজেদ আলী খোকন, নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী অধ্যক্ষ শিরীন বেগম সহ অন্যান্যরা।
প্রসঙ্গত, প্রশাসনের সাথে বিরোধের বিষয়ে এদিকে সাংসদ শামীম ওসমান এক কর্মী সভায় বলেন, প্রশাসনের সাথে আমাদের কোন বিরোধ নেই। ক্ষমতায় এখন আওয়ামীলীগ সরকার।পুলিশ বাহিনী এই সরকারের অধীনে। বাইরের লোককে দোষ দিয়ে লাভ নাই। ওনাকে দিয়ে কেউ কেউ খেলছেন। রাজাকার , মোস্তাকরা নারায়ণগঞ্জের শান্তি নষ্ট করতে চায়। কেউ যদি মনে করে কাউকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নস্ট করবে তাহলে তাকে ছাড় দেওয়া হবেনা।
এসপি হারুন এক মতবিনিময় সভায় বলেন, আমার সাথে কোন এমপির বিরোধ নেই। কোন দ্বিমত নেই।আমি শুধু আমার কাজ করে যাই।আমি কাজ করার সুযোগ চাই। শান্তিপূর্ন নারায়ণগঞ্জ গড়তে সন্ত্রাস,মাদক ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান।অপরাধী যেই হোক তাকে কোন ছাড় নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, এমপি শামীম ওসমান ও এসপি হারুনের নববর্ষের উদযাপনের বিষয়টি নারায়ণগঞ্জের শান্তির বার্তা বহন করবে। কারন এই দুজনই সন্ত্রাস,মাদক ভূমিদস্যু সহ সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেছেন। শান্তিপূর্ন নারায়ণগঞ্জ গড়তে অঙ্গিকার করেছেন দুজনই। প্রশাসন আর এমপি শামীম ওসমান মিলে যদি নারায়ণগঞ্জের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করেন তাহলে তৃতীয় কোন শক্তি অরাজগতা সৃষ্টি করার সুযোগ পাবে না বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।
