বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
সীমান্তে তেমন ধরনের উত্তেজনা নেই। সীমান্ত অন্যান্য সময়ের মত একই অবস্থায় চলছে। ভারতের মিডিয়া গুলোই শুধু বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিশ্বের অন্য কোন মিডিয়ায় এর তেমন প্রভাব ফেলছে না।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পূর্বাচল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স মাল্টিপারপাস ট্রেনিং গ্রাউন্ডে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ভলান্টিয়ার দিবসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল(অব:) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘১৯৮৫ সালে প্রথম এ দিবসটি পালিত হয়। বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের সেচ্ছাসেবকের সংখ্যা ৫৪ হাজার ৩শ ৪৮ জন। ভবিষ্যতে এর সংখ্যা ৬৫ হাজারের উন্নীত করার হবে। সকল দুর্যোগ মোকাবেলায় ফায়ার সার্ভিসের সেচ্ছাসেবকেরা সর্বদা তৎপর থাকে।’
ফায়ার সার্ভিস সব সময় বন্ধুর মত মানুষের সেবা করে আসছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্ট বলেন, ‘বন্যা ভুমিকম্প মোকাবেলা সরকারের একা সম্ভব না। ফায়ার সার্ভিসের সেচ্ছাসেবকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সর্বোপরি দেশ ও জাতির স্বার্থে ফায়ার সার্ভিসকে সব সময় প্রস্তুত আছে।’
সমবেত স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্দেশে বলেন, ‘সরকারি বাহিনীর সদস্যদের পক্ষে এককভাবে বন্যা, ভূমিকম্প ইত্যাদি দুর্যোগ মোকাবিলা করা দুরূহ। এক্ষেত্রে আপনারা পেশাদার বাহিনীর সাথে কাজ করে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। এজন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে ভূমিকম্পের ন্যায় ভয়াবহ দুর্যোগ মোকাবিলায় সকল স্তরে স্বেচ্ছাসেবক এবং তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
মহাপরিচালক তাঁর বক্তব্যে ভলান্টিয়ারদের অবদান স্মরণ করে বলেন, ‘২০১৩ সালে রানা প্লাজা ভবনধস, ২০১৯ সালে চুড়িহাট্টা কেমিক্যাল দু্র্ঘটনা, এফআর টাওয়ার অগ্নি দুর্ঘটনা, ২০২২ সালে বিএম কন্টেইনার ডিপোর অগ্নিদুর্ঘটনা এবং ২০২৩ সালে বঙ্গবাজার ও খাজা টাওয়ার অগ্নিদুর্ঘটনায় আপনাদের সাহসী অংশগ্রহণ আমরা দেখেছি। আপনাদের স্বেচ্ছাসেবী মনোভাব ও নির্ভয় অংশগ্রহণ দেশ ও জাতির দুর্যোগকালীন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ জন্য আমি আপনাদের সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’
<span;>আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফ করেন মাননীয় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এরপর ভলান্টিয়ার ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে শুরু হয় বর্ণিল শোভাযাত্রা। মাননীয় প্রধান অতিথি শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। পূর্বাচল ট্রেনিং গ্রাউন্ড থেকে শুরু হয়ে <span;>এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিসের মহা-পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহেদ কামাল সহ ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।

