স্টাফ রিপোর্টার,ফতুল্লা
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদত বার্ষিকী জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে শ্রমিকলীগের অনুষ্ঠানে হামলাসহ ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাগলা মধ্যরসুলপুর মাঠাপট্টি সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সন্ত্রাসী ও ইয়াবা ব্যবসায়ী জীবন ও বাবু বাহিনীর মারধরে মুন্না(১৮) নামের শ্রমিকলীগ কর্মীসহ ৪ জন আহত হয়েছে। সংবাদ পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
রসুলপুরের শ্রমিকলীগ নেতা রবিউল হোসেন অভিযোগ করে জানান,জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার স্থানীয় শ্রমিকলীগ ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে কাঙ্গালীভোজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। গত ১৬ ফেব্রুয়ারী একই জায়গায় আওয়ামী জনতালীগের ব্যানারে স্বাধীন হোসেন মনিরের নেতৃত্বে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান পালিত হয়। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে শ্রমিকলীগ ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মনির ও তার সহযোগিদের দাওয়াত না করায় ক্ষিপ্ত হয় মনিরগং। এরই ধারাবাহিকতায় মনিরের ভাই ইয়াবা বাবু ও জীবন উক্ত অনুষ্ঠানের পাশ দিয়ে এলোপাতাড়ি ঘোরাফেরা করতে থাকে। এ সময় শ্রমিকলীগের কর্মী মুন্না তার ভাইকে শাসানোর সময় গায়ে পড়ে মুন্নার সাথে কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হয়ে মুন্নাকে বেধড়ক মারপিট শুরু করে । ঘটনার সময় শ্রমিকলীগ নেতা রবিউলসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা এগিয়ে এলে বাবু ও জীবন,লিটন,হৃদয়,টাইগার ফরহাদসহ তাদের সহযোগিরা কাঙ্গালী ভোজের আয়োজনসহ বিছিয়ে রাখা চেয়ার-আসবাবপত্র ভাংচুর করে আতঙ্কগ্রস্ত করে তোলে। পরে রবিউলকে প্রাননাশের হুমকী দিয়ে চলে যায়।
ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর মনিরসহ তার সহযোগিদের বিচারের দাবীতে রসুলপুরের শ্রমিকলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের কর্মীরা প্রতিবাদ মিছিল বের করলে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। পরে ফতুল্লা মডেল থানার এসআই শফিকুলের নেতৃত্বে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিদর্শন করেন এবং সতর্ক অবস্থান নেন।
এ ব্যাপারে আওয়ামী জনতালীগের নেতা দাবীদার স্বাধীন হোসেন মনির জানান,তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। প্রতিপক্ষ নাটক সাজিয়ে তাকে হেনস্তা করার পায়তারা চালাচ্ছে। তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে আনিত ঘটনাটিও সঠিক নয়।
