অবশেষে হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে ফেরীর উদ্বোধন

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান বলেছেন, রমজান মাসে অপরাজনীতির দরকার নেই। আমি কোন রাজনীতি করতে চাই না। আমার শুধু একটাই রাজনীতি মানুষের সেবা করা। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে চাই। আমরা উন্নয়নের স্বার্থে সকলেই এক। বাংলাদেশের কোথাও এমন জায়গা নেই, যেখানে আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি একসাথে মিলেমিশে কাজ করে। ঝগড়া করলে রাজপথে করবো, কিন্তু উন্নয়নের নিয়ে ঝগড়া করতে চাই না।

১৪ জুন বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে ফেরীর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেলিম ওসমান বলেন, এক এক করে নারায়ণগঞ্জের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। বিশ্বের অষ্টম আশ্চর্য্য আদমজী জুট মিলকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। অথচ একসময় নারায়ণগঞ্জের সুতা সারা বিশ্বে রপ্তানি করা হতো। বর্তমানে সেই দুর্দশা থেকে মুক্ত হয়ে বস্ত্রশিল্পকে এক্সপোর্ট করে বিদেশী করার ক্ষেত্রে ২য় অবস্থানে অবস্থানে আছে নারায়ণগঞ্জ। আমরা নারায়ণগঞ্জকে আবার প্রাচ্যের ডান্ডিতে ফিরিয়ে আনতে চাই। ব্যবসায়ীদেরকে মূল্যায়ন করতে হবে। আমি চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজলকে নিয়ে এসেছি। বন্দরে চেম্বারের আরেকটি বিল্ডিং করা হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নারায়ণগঞ্জকে শ্রদ্ধা করেন। ফেরীর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এবং আগামীতে এই পবিত্র স্থানেই কদমরসুল ব্রীজ করা হবে। এই সরকারের সময়েই যেন ভিত্তিপ্রস্তর করা হয় সেই ব্যাবস্থা করা হবে। বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ ভাইয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের বার্তাটা পৌছে দিতে চাই। প্রয়োজন হলে আমরা লংমার্চ করবো।

বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশীদের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল, সড়ক ও জনপথের নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার আমির হোসেন, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবু জাহের, বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিন্টু ব্যাপারীসহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলররা।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ বলেন, শীতলক্ষ্যা-৩ সেতুর কাজ চলছে। ২০১৯ সালের মধ্যে এই সেতুর কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। বন্দরে নীটপল্লী হয়ে গেলে ২০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। আপনারা যেখানে সেখানে জায়গা বিক্রি করে দিয়েন না। কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠানে মালিক আছে যারা রাস্তার পাশে অপরিকল্পিতভাবে কল-কারখানা গড়ে তুলছে। আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকতে চাই। বন্দরে একটি উন্নতমানের বিশ্ববিদ্যালয় করার চেষ্টা করবো। নির্বাচন অনেক দেরি, এখনো অনেক সময় আছে, এ নিয়ে তাড়াহুড়ার কিছু নেই। আমরা সেই জাতির সন্তান, যে জাতি মাত্র ৯ মাস যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছে।

 

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.