বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ- আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহ আলম বলেছেন, আমি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, মাদক বিক্রেতাদের প্রশ্রয় দেই না, ৫ আগস্টের পর অনেকে আমাকে বলেছেন, এলাকায় আসেন, আমরা আপনাকে সহযোগিতা করবো, আমি বলেছি আসবো, তবে আপনাদের সহযোগিতা দরকার হবে না, তারা কারা ছিলো আপনারা তা বুঝতে পেরেছেন,
আমি সমাজের ভাল মানুষদের সাথে নিয়ে চলতে চাই, আমার কোন পিএস নাই, আমার বানিনী নেই, আমার সিকিউরিটি গার্ড লাগেনা, আপনাদের যে কোন প্রয়োজনে আমাকে ফোন দেবেন আমি সব সময় আপনাদের সহযোগিতা করবো। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) ফতুল্লা লালপুর বায়তুজ জালাল জামে মসজিদে নামাজ আদায় শেষে পারিবারিক কবরস্থানে শায়িত বাবা, মায়ের কবর জিয়ারত, শাহ ফতেহ উল্লাহ মাজার জিয়ারত ও ফতুল্লা চৌধুরী বাড়ি পারিবারিক করবস্থান জিয়ারত শেষে নিজ বাস ভবন সোবহান মঞ্জিলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত নির্বাচনী প্রস্তুতি মুলক আলোচনা সভায় কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অংগ সংগঠনের নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্য প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, ২০০৮ সানে নেত্রী আমাকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন, আমি নির্বাচিত হয়েছি, ডিজিটাল কারচুপির মাধ্যমে আমাকে পরাজিত করা হয়েছিল, নির্বাচনের পর নেত্রীর কাছে গিয়েছিলাম, তিনি আমাকে আমাকে বলেছেন, শাহ আলম তুমি নির্বাচিত হয়েছো, ম্যাডামের কথায় আন্তরিকতার সাথে দলের জন্য কাজ করেছি, আমার উপর অনেক জুলুম করা হয়েছে, ২৪ টি মামলা দেয়া হয়েছিলো সে সময়, দীর্ঘদিন আমি ফ্যাক্টরীতে আসতে পারিনি, সবগুলো মামলা জামিন নিয়ে ২০১৮ সালে নির্বাচনে অংশ নেই, দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছিলো, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে দলের স্বার্থে, জোটের স্বার্থে নির্বাচন থেকে সরে দাড়িয়েছি, জোট থেকে যাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিলো তার পক্ষে সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা কাজ করেছিলো, নির্বাচনের আগেই তিনি নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলে চলে গিয়েছিল, অনেকেই বলেন আমি দল থেকে পদত্যাগ করেছি, নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য একটি পদ রেখে বাকিগুলো থেকে পদত্যাগ করেছিলাম, বিএনপি ভাল মানুষদের দল, আমি দলকে ভালবাসি, দলের নেতাকর্মীদের ভালবাসি, আল্লাহর হুকুম থাকলে এবারও দল আমাকে মনোনয়ন দিবেন, আপনাদের সাথে নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হব ইনশাআল্লাহ। জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এমএ আকবরের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য একরামুল কবির মামুন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান রোজেল, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এ সময় ফতুল্লার অন্তর্গত ৫ টি ইউনিয়নের বিপুল সংক্ষক নেতাকর্মী আগমনে প্রস্তুতি মুলক সভা জনসভায় রুপান্তরিত হয়।
