বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অটো রিক্সা স্ট্যান্ডের দখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস (৬০) নিহতের
ঘটনায়২৪ ঘন্টার মধ্যে ২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
আজ সকালে র্যাব-১১ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বন্দর হাফেজীবাগ এলাকার নান্নু খলিফার ছেলে শান্ত (২৫) ও আলমচাঁনের ছেলে রবিন (২৮)।
র্যাব-১১ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা জানান, গত ২১ জুন রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন হাফেজীবাগ এলাকায় অটো রিক্সা স্ট্যান্ডের দখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে জনৈক বৃদ্ধ আব্দুল কুদ্দুস (৬০) এর নিহতের ঘটনা ঘটে। গত ২০ জুন ২০২৫ তারিখ শুক্রবারে একই ঘটনা নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সংঘর্ষে ঘটনায় মোঃ জাকির বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনা সূত্র ও এজাহার পর্যালোচনায় জানা যায় যে, ঘটনা পর্যালোচনা এবং প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে আবদুল কুদ্দুস (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষ। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বন্দর থানাধীন ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শাহী মসজিদ হাফেজীবাগ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত কুদ্দুস বন্দরের শাহী মসজিদ হাফেজিবাগ এলাকার বাসিন্দা। ওই ঘটনার পর নিহত ব্যক্তির স্বজন ও এলাকাবাসী লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করেন। আধিপত্য বিস্তার ও বন্দর অটোরিকশাস্ট্যান্ড দখলকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন যাবৎ স্থানীয় বিএনপির সমর্থক বাবু-মেহেদি এবং রনি-জাফর পক্ষের মধ্যে বিরোধ ও সংঘর্ষ চলছিল। গত শুক্রবার দুই পক্ষ লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে সংঘর্ষ জড়ায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে রনি-জাফর পক্ষের পারভেজের বাবা আবদুল কুদ্দুস চা পান করতে বন্দর স্ট্যান্ডে যান। এ সময় তাঁকে চায়ের দোকান ডেকে নিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন কুপিয়ে জখম করেন। আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এ সময় চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে স্বজনেরা হাসপাতাল থেকে মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ করেন। র্যাব-১১ ও জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে গতকাল রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন হাফেজীবাগ এলাকা থেকে এজহারনামীয় আসামী শান্ত ও রবিনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
