বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
ছাত্র-জনতার জুলাই অভ্যুথানের পর দেশের ভেঙ্গে পড়া আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সারাদেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জেও যেখানে অপরাধ অনিয়ম সেখানেই সমস্যা সমাধানে এগিয়ে যাচ্ছেন সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
অপরাধীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রয়েছেন শক্ত অবস্থানে। যার কারনে ভয় ও আতংকে রয়েছে মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও নানা অপরাধীরা। আর সাধারণ জনগনের মাঝে ফিরতে শুরু করেছে স্বস্তি।
জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গত ১০ দিনে অন্তত ১০টি অভিযান চালিয়েছে সেনাবাহিনী। এসব অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণে জাল টাকা, ছিনতাইকৃত মালামাল, মাদকদ্রব্য, কুরবানী পশুর হাটে অবৈধ লেনদেনের প্রমাণসহ বহু অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। ঈদে ঘর মুখো মানুষের জন্য পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদেরও আনা হয়েছে আইনের আওতায়। সেই সাথে বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী এবং সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু বড় অপরাধ নয়, ছোট ছোট অলিগলিতেও অভিযান চালিয়ে দমন করা হয়েছে কিশোর গ্যাং ও স্থানীয় চাঁদাবাজদের আস্তানা।
রাত পোহালেই ঈদ। অপরাধীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শক্ত অবস্থান এবার নারায়ণগঞ্জ বাসীকে সুষ্ঠু ও নিরাপদ একটি ঈদ উদযাপন উপহার দিবে। আর
সেই আশ্বাসই নগরবাসীকে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এতে করে জনমনে ফিরে আসে স্বস্তি, ভর করে সাহস। আর ঠিক সেই মুহূর্তে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে—সেনাবাহিনী শুধু দেশের সীমানা নয়, রক্ষা করে শহরের প্রতিটি গলিও। তাদের ভূমিকায় সন্তুষ্ট সাধারণ জনগন।
একজন দিনমজুর বলেন: “এইবার ঈদ করতে ভয় নাই ভাই। আগে ভাবতাম বাচ্চারে নিয়ে মার্কেটে যামু কেমনে, এখন দেখি আর্মি আইছে—সব ঠিকঠাক।”
এই বিশ্বাস শুধু একজনের নয়, পুরো নারায়ণগঞ্জবাসীর।
মানুষ বলছে—এই শহরে এবার ঈদের আগ মুহূর্তে যা ঘটেছে, তা নতুন দিনের ইঙ্গিত। এবারের এই শক্ত অবস্থান জনগণের হৃদয়ে সৃষ্টি করেছে সেনাবাহিনীর প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। আর অপরাধীদের মনে আতংক।
দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং আইন-বহির্ভূত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
