বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
আদমজী ইপিজেডের অভ্যন্তরে মার্চ ফর গাজা কর্মসূচিতে যোগ না দেয়াকে কেন্দ্র করে দুটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে বহিরাগতের সাথে সংঘর্ষ, পোশাক কারখানা ভাংচুর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১২ এপ্রিল) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিল্পাঞ্চল পুলিশ-৪’র নারায়ণগঞ্জ জোনের পরিদর্শক (ইন্টিলিজেন্স) সেলিম বাদশা।
এর আগে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ইউনুস্কো বিডি লিমিটেড গার্মেন্টস এবং অনন্ত হূয়াশিং সোয়াটার গার্মেন্টস কারখানার ভবনের কাঁচ ভাঙচুর করে। এ সময় শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে শিল্পাঞ্চল, থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এসে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শিল্পাঞ্চল পুলিশ-৪’র নারায়ণগঞ্জ জোনের পরিদর্শক (ইন্টিলিজেন্স) সেলিম বাদশা বলেন, বিকেলে বহিরাগত ৩০০-৪০০ জন ইপিজেড এলাকায় প্রবেশ করে ইপিজেডের শ্রমিকদের নিয়ে মার্চ ফর গাজা ইসরাইলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে যোগদান করার চেষ্টা করে। এ সময় ইউনুস্কো বিডি লিমিটেড গার্মেন্টস এবং অনন্ত হূয়াশিং সোয়াটার গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুটি কারখানার কাঁচ ভাংচুর করা হয়।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী বলেন, জেলা পুলিশ ঘটনাটি পড়ে জেনেছে। ইপিজেডে কুইক রেসপন্স করেছে র্যাব ও সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনী ৪৫ জনকে আটক করে পরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র কাজ করতে পারে ধারণা এ পুলিশ কর্মকর্তার। তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যু তো নিরপেক্ষ ইস্যু। এই মিছিলে তো সব দলের লোকজন থাকেন। কেউ অন্য কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এটি করেছেন কিনা পুলিশ সেটি তদন্ত করবে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনূর আলম বলেন, আটকরা ফিলিস্তিনের মিছিলের নামে আদমজী ইপিজেডের ভেতরে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা এবং কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে।
এসময় তারা একটি ফ্যাক্টরির গ্লাসও ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
