বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ হকার মুক্ত করতে ফুটপাতে প্রতিদিনই অভিযান করছেন পুলিশ। শহরের ফুটপাতগুলোতে বসতে দেওয়া হচ্ছেনা হকারদের। এ নিয়ে কয়েকদিন যাবৎ আন্দোলন করছেন হকাররা। এদিকে নারায়ণগঞ্জে নাগরিক সমস্যা সমাধানে আবারো বৈঠক করেছেন জনপ্রতিনিধি ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। এ বৈঠকে নারায়ণগঞ্জের যানযট ও হকার সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ে ওই আলোচনা সভা সম্পন্ন হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান বলেন, নারায়ণগঞ্জের সমস্য সমাধানে আজকে আমরা এখানে বৈঠকে বসেছি। হকাররা জন প্রতিনিধিদের চ্যালেঞ্জ করেছে। তাদের আমরা বলেছিলাম তালিকা দিতে, কিন্তু তারা এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন অবস্থায় সড়কে নেমে বিশৃঙ্খলা করেছে। এই শহরের ফুটপাত হকার মুক্ত ও যানযট মুক্ত রাস্তা করতে আমরা বদ্ধপরিকর। জণগনের স্বার্থ ক্ষুন্ন করে করে কারো স্বার্থ দেখা হবে না।
আলোচনা সভা শেষে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, আমি নারায়ণগঞ্জের মানুষের ফুটপাতে স্বস্তিতে হাটার অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রায় ৭’শ হকার পূর্নবাসন করেছিলাম। তারা সেখানে না থেকে আবারো রাস্তায় এসে জণগনের পুটপাতে স্বস্তিতে চলাচলের অধিকার ক্ষুন্ন করছে।
এসময় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান, জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হক, পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল এবং নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা উপস্তিত ছিলেন।
এদিকে এর আগে, নারায়ণগঞ্জের জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিষেধাগার করে সমস্যা সমাধানের জন্য আগামী সোমবার পর্যন্ত সময় বেধে দিয়েছে হকার নেতৃবৃন্দরা। সমাধান না হলে আগামী মঙ্গলবার থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে রাস্তায় নামার হুশিয়ারী দিয়েছে হকাররা। বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় শহরে বিক্ষোভ সমাবেশে করে এমন বিষেধাগার ও হুশিয়ারী দিয়েছেন হকার নেতারা।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ জেলার যানজট, হকারমুক্ত ফুটপাত ও সড়ক অব্যবস্থাপনা’ মুক্ত করে পজেটিভ নারায়ণগঞ্জ গড়তে এক গোল টেবিল বৈঠকে বসেন সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান ও এ কে এম সেলিম ওসমান। বৈঠকে নারায়ণগঞ্জের সমস্যা সমাধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পর থেকেই শহর ফুটপাত মুক্ত রাখা হয়।

