বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী এ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের কাছে ডিজিএফআই পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে চিত্ররঞ্জন দাস ওরফে মোঃ সুমন মিয়া নামে এক যুবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও দুইজনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
চিত্ররঞ্জন দাস ওরফে মোঃ সুমন মিয়া (৩৮) কুমিল্লার হোমনা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত রন্ধন চন্দ্র দাস।
মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, চিত্ররঞ্জন দাস ওরফে মোঃ সুমন মিয়া তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। তিনি প্রায় ১২ বছর আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছেন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। প্রায় ৮ বছর তিনি তার নিজ এলকায় একটি সেলুনের দোকানে কাজ করে পরবর্তীতে ঢাকা গিয়ে সেখানে বিভিন্ন এলাকার গার্মেন্টস থেকে জুট কিনে বিক্রয় করে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের প্রতারনার কাজে লিপ্ত হেেয় থাকে।
এসপি বলেন, কোন এক মাধ্যমে ফোন নাম্বার ম্যানেজ করে ২২ নভেম্বর রাত আটটার দিকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন মেয়র প্রার্থী এ্যাডভোকেট আলম খন্দকারকে ডিজিএফআই পরিচয় দিয়ে ফোন করে দাবি করে চত্ররঞ্জন দাস ও মোঃ সুমন মিয়া। সে বিকাশের মাধ্যমে তৈমূর আলমের কাছে টাকা চায়। এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন মেয়র প্রার্থী। পরবর্তীতে আমরা তদন্ত করে চিত্ররঞ্জন দাস ওরফে মোঃ সুমন মিয়াকে খুঁজে বের করি। তাকে প্রথমে আটক করে থানায় আনা হয়। আজ তার বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনকে ঘিরে কোন অপপ্রিতিকর ঘটনা যাতে না সেজন্য পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। সকল প্রার্থীরা ভরসা রাখতে পারে পুলিশ তাদের সার্বিক সহযোগিতা করবে। তবে যদি কেউ কোন ধরনের অপ্রতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করে তাহলে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

