বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
প্রতিদিন এক লাখ করোনা পরীক্ষা, সকলের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও করোনা টিকা প্রদান, সকল হাসপাতালে কেন্দ্রীয় হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা, করোনাকালে শ্রমজীবী হতদরিদ্রদের জন্য এক মাসের খাবার ও নগদ ৫ হাজার টাকা অনুদান, মধ্যবিত্ত, নি¤œবিত্তদের জন্য স্বল্পমূল্যে রেশন এবং বাঁশখালীতে শ্রমিক হত্যার বিচার ও নিহত আহতদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিতে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসাবে বাম গণতান্ত্রিক জোট নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে আজ বিকাল ৩ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাসদ জেলা সমন্বয়ক নিখিল দাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কমিউনিস্ট পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সম্পাদকম-লীর সদস্য বিমল কান্তি দাস, বাসদ জেলা ফোরামের সদস্য সেলিম মাহমুদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলার সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত টিপু, জেলার সম্পাদকম-লীর সদস্য রাশিদা আক্তার, গণসংহতি আন্দোলনের জেলার সমন্বয়ক তরিকুল সুজন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি নেয়ার এক বছর যথেষ্ট সময় ছিল। কিন্তু সরকার তা করেনি। ফলে হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ বেড বাড়েনি। অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় পরিপূর্ণ ছিল। দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলেই সরকারের কিছু তৎপরতা আমরা দেখতে পাই। বামজোটের পক্ষ থেকে বার বার বলার পরও সরকার সালমান রহমানের ফাঁদে পরে ভারত ছাড়া অন্য কোন দেশ থেকে ভ্যাকসিন আনার চুক্তি করেনি। এখন যখন ভারত ভ্যাকসিন দেয়া বন্ধ করেছে তখন তড়িঘড়ি করে রাশিয়া ও চীনের সাথে চুক্তি করেছে। বর্তমানে করোনাকালে দেশের শ্রমজীবী হতদরিদ্ররা মারাত্মক কষ্টে রয়েছে। তাদের জন্য এক মাসের খাবার ও নগদ ৫ হাজার টাকা বরাদ্দের দাবি জানাই। মধ্যবিত্ত ও নি¤œ মধ্যবিত্তদের রেশনের ব্যবস্থা না করলে এই শ্রেণিটি নি¤œবিত্তে পরিনত হবে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বাঁশখালীতে পুলিশ ও গু-াবাহিনীর গুলিতে ৫ জন শ্রমিক জীবন দিলো। তাদের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মামলা করা হলো। বাঁশখালীর বিদ্যুৎ প্রকল্প এস আলম গ্রুপ বা চায়না কোম্পানির জন্য লাভজনক হলেও দেশের জন্য বিধ্বংসী। এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়েও ২০১৬ সালে ৬ জনকে জীবন দিতে হয়েছিল। নেতৃবৃন্দ বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি করে বিচার করা ও নিহত আহতদের ক্ষতিপূরণ দাবি জানান।

