বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
স্থানীর সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বলেছেন, ঢাকাসহ সেইফ ওয়াটার দেওয়া হবে সারা দেশের জন্য। বাংলাদেশে ৯৮ ভাগ মানষের মাঝে পানি সরবরহ করা হয়েছে। আমরা অল্প সময়ে ভেতরে আমরা শতভাগ সকল মানুষের ভেতরে পানি সরবারহ করতে পারব।
শনিবার(৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে ঢাকা এনভায়রমেন্টালী সাসটেইনেবল ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্পের রূপগঞ্জের গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এলজিআরডি মন্ত্রী আরো বলেন, পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে। এ কারণে আমাদের সারফেস ওয়াটারের কথা চিন্তা না করে উপায় নেই। একসময় চট্টগ্রামের মানুষ পানি পায়নি ও ওখানে পানি সরবারহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর চট্টগ্রামসহ শহর সব জায়গায় পানি আছে। এমনকি ঢাকাতে কোন জায়গায় পানির স্বল্পতা নেই। এজন্য গর্ন্ধবপুরে একটি প্রকল্পের কাজ শেষ হতে যাচ্ছে। আরো চারটি প্রকল্প করা হবে এবং এটি আমাদের খুব দ্রুত করতে হবে। আমরা আমাদের যে প্রকল্প গুলো আছে নির্দিষ্ট সময়ের আগে শেষ করার চেষ্টা করি। আমারা দ্রুত প্রকল্পের কাজ গুলো শেষ করবো। আমাদের সরবারহ লাইন, আমাদের ডেলিভারি লাইন আসা যাওয়ার পানি এই দুটি আমার একটি সাথে সমন্বয় করবো। আজকের যে প্ল্যান্টটি হচ্ছে গ্রাহকের চাহিদা পূরনণের লক্ষ্যে আমরা টেকসই উন্নয়নের জন্য টেকসই পানির ব্যবস্থা করতে হবে। ওয়াসার দায়িত্ব হলো স্যানিটেশন। সুয়ারেজ সিস্টেমের মাধ্যমে সুরাজের গুলোকে সংগ্রহ করে ব্যবস্থা নিব। হোল্ডিং, পানির টেক্কস পানির মূল্য সব জায়গায় যদি সমান হয় তাইলে তো হলো না। গুলশান অনেক উন্নত এলাকা। কিন্তু সেখানে অন্য সব এলাকার মতো ট্যাক্স। এটি আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয় না। সুপেয় পানি দিতে হলে আমাদের বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিতে হবে। যেসব বিষয় গুলো আমলে নেয়া দরকার, কম টাকায় রাস্তা করলে সেই রাস্তা গুলো নষ্ট হয়ে যায়। যেকোন প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানোর জন্য যৌক্তিকতা থাকতে হবে। আমি মনে করছি আমরা দুই বছর পর রাস্তা না ৫ বছরের জন্য আমারা যদি টেকসই রাস্তা করি। এজন্য আমরা একটি কমিটি করে দিয়েছি।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসকিম এ খান, প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাহমুদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোস্তাই বিল্লাহ প্রমূখ।
জানা যায়, প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও ঢাকা শহরের উত্তর-পশ্চিমাংশের পানি সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নয়সহ পরিবেশ বান্ধব ও টেকসই ভূ-উপরিস্থ পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার অন্তর্গত মেঘনা নদীর পশ্চিম পাগে বিশনন্দী এলাকায় দৈনিক ১০৫ কোটি লিটার পানি উত্তোলন ক্ষমতা সম্পন্ন ইনটেক স্থাপন, রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব পাড়ে গন্ধর্বপুরে ঢাকা ওয়াসার নিজস্ব জায়গায় ১ম ফেইজে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার ক্ষমতা সম্পন্ন পানি শোধনাগার নির্মাণ ও পরিশোধিত পানি ট্রান্সমিশন ও ডিষ্টিবিউশন লাইনের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীর উত্তর-পশ্চিমাংশে (বাড্ডা, গুলশান, বনানী, উত্তরা, মিরপুর, দক্ষিণখান, উত্তরখান, মাটিকাটাসহ অন্যান্য এলাকায়) পানি সরবরাহ করা হবে।

