বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় জিকু নামে এক ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তুলেছে ব্যবসায়ীর পরিবার। ওই অভিযোগে এনায়েত করিম নামে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এক এএসআই’কে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জ মদর মডেল থানা থেকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেন এসপি।
জেলা বিশেষ শাখার পরিদর্শক (ডিআই ২) সফিউল আযম জানান, এক যুবককে ফাঁসানোর অভিযোগে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর আগে রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জিকুর বাবা মজিবর রহমান তার ছেলেকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মজিবর রহমান জানান, আমরা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের(নাসিক) ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের শহীদ নগরের বাসিন্দা। আমার ছেলে জিকু তিনটি মেশিন নিয়ে ছোট হোসিয়ারীর ব্যবসা করেন। গত ১২ ডিসেম্বর জিকু ও অপারেটর শামীমকে মাদকাসক্তের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে থানায় নেয় এএসআই এনায়েত।
পরে আমি তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি আমার কাছে দুই লাখ টাকা দাবি করেন। আমি সন্ধ্যার পর থানায় গেলে তিনি আমাকে আবার শাসিয়ে বলেন টাকা নিয়ে আসতে। আমি অনেক কষ্ট করে স্ত্রীর জিনিস বন্ধক রেখে ৩০ হাজার টাকা পরের দিন শুক্রবার ১৩ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় সুমনের মাধ্যমে এএসআইকে দিই। টাকা লেনদেন এর ব্যাপারে ০১৯১১৬৯৩৯২৫ নাম্বার থেকে যোগাযোগ করা হয়। ৩০ হাজার টাকা দেয়ার পরও তিনি আমার ছেলে জিকু ও শামীমকে ১০০ গ্রাম হেরোইন দিয়ে চালান দেন।
তিনি অভিযোগ আরো জানান, আমার ছেলে কোনো মাদক গ্রহণ করেন না, সেখানে হেরোইন দিয়ে আমার ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে। ঘটনার দিন আমি নামাজ শেষে এসে বাসার সামনে লোকজনের ভিড় দেখে এ ঘটনা জানতে পারি। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি ওই সময় আমার ছেলের কাছে কিছুই পায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জিকুর মা সুলতানা বেগম, চাচা ইসমাহিল হোসেন, ভাতিজি অন্তরা আক্তার, ছোট ভাই জামিল আহমেদ রিকু।

