বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
২০০১ সালের ১৬ জুন বোমা হামলায় নিহত শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভের সামনে ডাস্টবিন রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হামলায় ভুক্তভোগী পরিবার ও নারায়ণগঞ্জ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
রবিবার চাষাঢ়া শহীদ মিনারে নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে এসে তারা এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এসময় বোমা হামলা দুই পা হারানো মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি চন্দনশীল বলেন, শহীদদের সম্মান না করতে পারেন। তারপরও অসম্মান করবেন না। এই ডাস্টবিন সরিয়ে নিয়ে ক্ষমা চান। কতটা জঘন্য হলে এই জায়গায় ডাস্টবিন রাখতে পারে। তারপর এভাবে নোংরা করে রাখতে পারে।
তিনি আরো বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি ওই মুরসালিন ও মুত্তাকিন বলেছে তারা এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত।আমরা মনে করি মুক্তি হান্নান ও মুরসালিন, মুক্তাকিন শুধু মাত্র শ্রমিকের দায়িত্ব পালন করেছে। কিন্তু পরিকল্পনাকারী অবশ্যই আছে।মূল পরিকল্পনাকারীদের খুজে বের করতে হবে।আমরা দাবি জানাই মুরসালিন ও মুত্তাকিন ভারতের কারাগারে বন্দী আছে। তাদের দেশে এনে সাজা দিতে হবে এবং কারা পরিকল্পনাকারী ছিল তাদের চিহ্নিত করে সাজা দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি এই হত্যাকান্ডের সাথে বিএনপি জামাত জোট ও স্বাধীনতা বিরোধীতা জড়িত আছে।২০০১ সালে বিএনপি জামাত ক্ষমতায় আসার পরে তারা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নামে তারা প্লাটা মামলা দায়ের করেছিল।কিন্তু মহামান্য আদালত সেই মামলা খারিজ করে দেয়।তারপর মামলার বিচার দেরী হচ্ছে।আমরা যতদিন বেঁচে থাকবো বিচার চাইবো এবং এই ঘটনার সাথে জড়িত আছে তাদের মৃত্যুদন্ড দাবি করবো।
তিনি আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জের একটা মহল এই বর্বরতার সাথে জড়িত আছে।যারা এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য বারবার তারা অপপ্রচার চালিয়েছে।তারা বারবারাল প্রমান করার চেস্টা চালিয়েছে শামীম ওসমানই এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত।যারা এই মিথ্যা অপপ্রচার চালায় তাদেরকে আমরা নিন্দা জানাই।
তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক ভাইয়েরা আপনার লক্ষ্য এটা স্মৃতি স্তম্ভ। এখানে ২০ জন মানুষ শহীদ হয়েছে।রক্ত দিয়েছে শহীদ হয়েছে। আমরা দুই পা হারিয়ে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছি।কতটা জঘন্য হলে একটা নোংরা হলে একটা ডাস্টবিল এখানে রেখে দেয়।এটা একটা স্মৃতি স্তম্ভ।আমি আইভীকে বলতে চাই। সরাসরি বলতে চাই।২৪ ঘন্টা সময় দিলাম ক্ষমা চান। ২৪ ঘন্টার মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।সংবাদ পত্রে মাধ্যমে ক্ষমা চেয়ে এই ডাস্টবিন অপসারন করতে হবে।যদি ক্ষমা না চান। আমরা ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবার ও নারায়ণগঞ্জবাসীকে সাথে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো। যা করার দরকার আছে আমরা তা অবশ্যই করবো।
এদিকে স্মৃতি স্তম্ভে ডাস্টবিন রাখায় জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং সেই সাথে এই ডাস্টবিন অপসারন করে স্তম্ভের চারপাশ পরিস্কার পরিচ্ছন রাখার দাবি জানিয়েছে।

