বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের নকল জুস কারখানার সন্ধান পেয়েছে র্যাব। রোববার বিকেলে নগরীর সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় অবস্থিত সাদিয়া ফুড কারখানায় উৎপাদিত প্রায় ২০ লাখ টাকা মুল্যের নকল ও ভেজাল জুস ধ্বংস করা হয়। এসময় ভেজাল জুস উৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কারখানার ম্যানেজার ও ক্যামিষ্টসহ চারজনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে র্যাবের ভ্রম্যমান আদালত। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে র্যাব ১১ কর্মকর্তারা এই অভিযান চালায়।
আদমজী র্যাব ১১ মেজর নাজমুস সাকিব জানান, গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারি সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল এলাকায় জনৈক্য মনির হোসেনের বাড়ি ভাড়া নিয়ে আলমগীর নামে এক ব্যক্তি নকল ও ভেজাল জুসের কারখানা গড়ে তোলে। র্দীঘ দিন ধরে এই নকল ও ভেজাল জুস তৈরি করে বিভিন্ন নামিদাকি কোম্পানীর লেভেল সাটিয়ে বাজারের বিভিন্ন কনফেকশনারী, মনিহারী ও মুদি দোকানে বিক্রি করে আসছে। এসব উৎপাদিত জুসে কোন প্রকার খাদ্য সম্পর্কিত সরঞ্জামাধী ব্যবহার করছেনা। মাবনদেহের জন্য ক্ষতিকর বিভিন্ন ক্যামিক্যল ও কাপড়ে ব্যবহার করা রং দিয়ে এসব জুস বানিয়ে তা বোতলজাত করে বাজারে সরবকরাহ করা হচ্ছে। রোববার বিকেল র্যাব ১১ সদস্যরা জেলা প্রশাসনের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেটে নেতৃত্বে নকল জুস কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান নকল জুস ও বিভিন্ন কোম্পানীর লেভেল, খালি বোতল, বাজারজাত করার জন্য উৎপাদিত বোতলজাত জুস ও শিশুদের খাওয়ানেসার জন্য ছোট ছোট প্লাষ্টিকের প্যাকেটে রাখা পাইপ জুসসহ উৎপাদনের জন্য রাখা ক্যামিক্যাল জব্দ করা হয়।
সিংক: নাজমুস সাকিব , মেজর র্যাব ১১
জেলা প্রশাসনের নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট জাহাঙ্গীর আলম জানান, মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল ও নকল জুস উৎপাদনের অভিযোগে সাদিয়া ফুডের ম্যানেজার ও ক্যামিষ্টসহ চারজনকে আটক করে ভ্রম্যামান আদালতের মাধ্যমে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
সিংক: জাহাঙ্গীর আলম , নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট নারায়ণগঞ্জ ।
এই কারখানায় উৎপাদিত প্রায় ২০ লাখ টাকার ভেজাল জুস ও বিপুল পরিমান ক্যামিক্যাল ধ্বংস করা হয়েছে। সাদিয়া ফুড কারখানাটি সলিগারা করে দেয়া হয়েছে। এই কারখানার মালিক আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে ভোক্তা অধিকানর সংরক্ষন আইনে নিয়মিত মামলা করা হবে।
