বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের সদর মডেল থানার অপরাধ হালচিত্রে গত ৩০ দিনে মোট ৭৮ টা মামলা রুজু করা হয়েছে। এই মামলাগুলোতে সর্বমোট ১৩৯ জন আসামীকে আটক করা হয়েছে। বিপুল পরিমান মাদক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৪৮ টি মাদক মামলা রুজু হয়েছে।
মো. কামরুল ইসলাম সদর মডেল থানায় ওসি হিসেবে যোগদানের পর থেকে এই থানার আইনশৃঙ্খলা জেলার অন্যান্য থানার থেকে উন্নতি হয়েছে এবং ওয়ারেন্ট তামিল সবার থেকে শীর্ষে এমনটাই জানায় পুলিশের একটি সূত্র।
সদর মডেল থানায় এপ্রিল মাসের ৩০ দিনে বিভিন্ন অপরাধে মোট ৭৮ টি মামলা রুজু করা হয়েছে। মাদক মামলা হয়েছে ৪৮ টি। এই মাসে ইয়াবা ট্যাবলেট-৭৪৮ পিছ, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজা, ৮২ গ্রাম হেরোইন ও ৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেন সদর মডেল থানা পুলিশ। জি.আর ওয়ারেন্ট তামিল ৩৭টি, সি.আর ওয়ারেন্ট তামিল ১৩ টি এবং সাজা প্রাপ্ত আসামী ১টি আটক করেন। এছাড়া চাঁদাবাজির ৩ টি মামলায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। আর মাদক মামলায় মোট ৮৫ জনকে আটক করা হয়।
অপরদিকে, সদর মডেল থানার এসআই সামসুজ্জামান তার ডিউটিতে গত এপ্রিল মাসে সবচেয়ে বেশী পারফরমেন্স দেখিয়েছেন। ইয়াবা ট্যাবলেট ও অন্যান্য মাদক সহ বেশ কয়েক জনকে আটক করেছে এবং মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। তিনি জি.আর, এবং সি.আর বেশ কয়েকটি ওয়ারেন্ট তামিল করেছেন বলে পুলিশ জানান। এছাড়া আরো কয়েক জন অফিসার আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে যথেষ্ট চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে পুলিশের সুত্রে জানাযায়।
সদর মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সদর মডেল থানা পুলিশের সব সময় জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, ঝুট সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সন্ত্রাসী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের জন্য কেউ কোন তদবির করলে লাভ হবে না। অপরাধী যেই হোক ছাড় নেই। সদর মডেল থানাধীন এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা দিন রাত কাজ করছি। প্রতিদিনই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের থেকে ভাল অবস্থানে রয়েছে। অপরাধ দমনে আমাদের সব ধরনের তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করবেন। আমাদের জন্য দোয়া করবেন আমি যাতে সবসময় আপনাদের সেবায় নিয়োজিত থাকতে পারি।
এ বিষয়ে ওসি (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, সদর মডেল থানাধীন এলাকার অপরাধ দমনে ও মাদক নির্মূলে আমরা পুলিশ বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। বর্তমানে আমরা মাদকের উপর জিরো টলারেন্সে আছি। যুব সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। আপনার সন্তান কার সাথে মিসছে সেই দিকে লক্ষ্য রাখবেন। আমাদের যে কোন অপরাধের তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করবেন। এই এলাকার আইনশৃঙ্খলা ভাল রাখতে ও শান্তিপূর্ন রাখতে আপনার আমার সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন।

