বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
দেশব্যাপী আলোচিত সাগর-রুনি ও তনু হত্যাকান্ড নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াত আইভীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবী জানিয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন নারায়ণগঞ্জ সচেতন নাগরিক সমাজ। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়ার কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডস্ট্রির সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল এবং জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি এডভোকেট হাসান ফেরদৌস জুয়েল। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মো: শহীদ বাদল, মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খোকন সাহা , জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ শিরিন বেগম সহ ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, সোনারগাও আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ সহ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নারায়ণগঞ্জের ২১টি নাগরিক সংগঠনের পক্ষ থেকে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপির সাথে এসব সংগঠনের কর্মকর্তা ও সদস্যদের স্বাক্ষরের অনুলিপিও প্রদান করা হয়। পাশাপাশি মেয়র আইভীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে বিভিন্ন অডিও ভিডিও ফুটেজ তথ্য প্রমাণাদি হিসেবে সংযুক্ত করা হয়।
পরে জেলা আইনজাীবি সমিতির সভাপতি এডভোকেট হাসান ফেরদৌস জুয়েল সাংবাদিকদের জানান, গত ৬ মার্চ নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা: সেলিনা হায়াৎ আইভী একটি সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় বলেন, সাগর-রুনি ও তনু হত্যার বিচার কেন হচ্ছে তা তিনি জানেন। তাই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আইন শৃংখলা বাহিনী এই চাঞ্চল্যকর তিনটি হত্যাকান্ডের তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। এছাড়া বিভিন্ন সময় নারায়ণগঞ্জের বিশিষ্ট রাজনৈতিক পরিবার ওসমান পরিবারের বিরুদ্ধে মেয়র আইভী অপ্রাসংঙ্গিক বিষয় নিয়ে সমালোচনা করে নারায়ণগঞ্জের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অশান্ত করে তুলছেন। এটা বন্ধ হওয়া দরকার। দেশের যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামাত-শিবিরের সাথে মেয়র আঈভীর সম্পৃক্ততা থাকারও অভিযোগ করা হয় স্মারকলিপিতে।
এদিকে জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, সেটি তিনি যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেরণ করবেন।
