বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জ সদর-বন্দর (নারায়ণগঞ্জ -৫) আসনের জন্য প্রথম দিনেই দলীয় মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলার মাকছদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।দলীয় মনোনয়ন পত্র বিক্রির প্রথম দিনেই আজ সোমবার (১২ই নভেম্বর) কাউন্সিলার খোরশেদ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মনোনয়ন পত্র ক্রয় করেন।
দলীয় মনোনয়ন পত্র ক্রয় শেষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সভাপতি ও কাউন্সিলার মাকছদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেন,আমি গত ১২ বছর বাকশালী সরকার পতনের আন্দোলনে রাজপথে ছিলাম। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরের মধ্যে আমি সব্বোর্চ্চ রাজনৈতিক মামলার আসামী।এপর্যন্ত ৪ বার কারাবাস করেছি।প্রত্যেকটি কর্মসূচী নিষ্ঠার সাথে পালন করেছি।পাশাপাশি আমার নির্বাচনী এলাকায় প্রত্যেকটি ওর্য়াড – ইউনিয়নে সংগঠন গড়ে তুলেছি।নেতাকর্মীদের সুখে দুখে ছিলাম সবার আগে।তাই তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসাবে আমি এবারের নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ সদর-বন্দর (নারায়ণগঞ্জ -৫) আসনে দলীয় প্রার্থী হতে চাই।দল যদি সুযোগ দেয় অবশ্যই নারায়ণগঞ্জ -৫ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনেতা তারেক রহমানকে হারানো আসনটি পুনুরুদ্ধার করে দিতে পারবো,ইনশাল্লাহ।
নারায়ণগঞ্জ -৫আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী মহানগর যুবদলের সভাপতি ও কাউন্সিলার মাকছদুল আলম খন্দকার খোরশেদ আরো বলেন,আমি দলের প্রতি শতভাগ অনুগত।দল যদি আমাকে মনোনয়ন না দিয়ে আরো উপযুক্ত অন্য কাউকে মনোনয়ন দেয় তাও বিনা বাক্যে মেনে নিতে সর্বদা প্রস্তুত আছি।দলের জন্য জীবন দিতে ও দলের লাভের জন্য যে কোন ত্যাগ স্বীকারে আমি সর্বদা প্রসÍুত।
তিনি আরো বলেন,সরকার সুষ্ঠ নির্বাচন চায় না।তারা পুনরায় ২০১৪ সালের মত একদলীয় নির্বাচন করার পায়তারা করছে।সরকার একদলীয় নির্বাচনের আশায় নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার করছে।তিনি সরকারকে গনতান্ত্রিক আচরণ করার আহবান জানিয়ে অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সহ সকল রাজবন্ধীর মুক্তি দাবী ও গনগ্রেফতার বন্ধ এবং গায়েবী মামলা বন্ধ করে লেভেল প্লেয়েং ফিল্ড তৈরীর করার জন্য নির্বাচন কমিশনারের প্রতি জোড় দাবী জানান।

