বিজয় বার্তা ডট কম
বঙ্গবন্ধুকে বাঙালীরা হত্যা করেনি, তাঁকে হত্যা করেছিল পাকিস্তানী কুলাঙ্গাররা বলে মন্তব্য করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুম বিল্লাহ।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ধর্মীয় প্রার্থণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ আগষ্ট) বিকেল ৪ টায় শহরের নিতাইগঞ্জ কাচারীগল্লি শ্রী শ্রী গোপাল জিউর আখড়া প্রাঙ্গনে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রার্থণা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এডিসি আরো বলেন, ‘স্বাধীন বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি এই দেশ স্বাধীন না করতেন তাহলে আজকে আমররা ডিসি এডিসি হতে পারতাম না। তিনি ছিলেন স্বাধীন বাংলার অগ্রপথিক। তাঁর নেতৃত্বে বাংলার দামাল সন্তানেরা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। টানা ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর পাক হানাদারদের পরাস্ত করে বাংলাদেশ স্বাধীন করার কারনেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ঐ পাকিস্তানী কুলাঙ্গাররা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের নির্মম ভাবে হত্যা করেছিলেন।’
হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি শ্রী পরিতোষ কান্তি সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোপীনাথ দাস, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জাতীয় পরিষদের উপদেষ্টা শ্রী বাসুদেব চক্রবর্তী, নাসিক ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবু, নাসিক ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কবির হোসাইন, মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রোকন উদ্দিন।
মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ সাধারন সম্পাদক শিখন সরকার শিপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ হিন্দু সংস্কার কমিটির জেলা সভাপতি শ্রী কমলেষ সাহা, শ্রী শ্রী গোপাল জিউর আখড়ার সাধারন সম্পাদক শ্রী তারাপদ আচার্য্য, পরিচালক হিমাদ্রী সাহা হিমু, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক উত্তম সাহা, পূবালী সল্ট ইন্ডাষ্ট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী বিপুল কান্তি সাহা প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মরেনি। তিনি তাঁর কর্মের মাধ্যমে বাঙালী জাতির মাঝে আজও বেঁচে আছেন। তারই কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন বাংলাদেশকে উন্নয়ণশীল রাষ্ট্রে পরিনত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

