বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
নারায়ণগঞ্জের ৫টি সংসদীয় আসনে নৌকা প্রতীকে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই’য়ের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জাতীয় পার্টির এমপি সেলিম ওসমানের যে বক্তব্য গত বৃহস্পতিবার (১৯ এপ্রিল) মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন আবদুল হাই।
শুক্রবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে প্রদত্ত ব্যাখ্যায় আবদুল হাই উল্লেখ করেছেন, আমি যখন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ছিলাম তখন অন্য কোন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তাদের জেলার কোন এমপিকে ডেকে তাদের সাথে মতবিনিময় সভা করেননি। কিন্তু আমি আমার জেলার ৬ এমপির সাথে গেট টু গেদারের আয়োজন করে তাদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় সভা করেছি। আমি যখন জেলা পরিষদের দায়িত্ব পাই তখন এই সংস্থার এফডিআর ছিলো ২০ কোটি টাকা। আর দায়িত্ব ছেড়ে চলে আসার সময় রেখে এসেছি ১২০ কোটি টাকা। যা বর্তমানে সুদে আসলে ১৫০ কোটি টাকার উপরে রয়েছে। আমি দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে উন্নয়ন কাজের জন্য বরাদ্দ চেয়ে সব এমপিরা আমার কাছে ডিউলেটার দিয়েছিলো। যেহেতু এফডিআর ভাঙ্গার ক্ষমতা জেলা পরিষদের নেই, তাই আমি সেই ডিউলেটারগুলো আনুমুতির জন্য পাঠিয়ে দেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের কাছে। কিন্তু মন্ত্রনালয় সেগুলো বিবেচনা করে নাকচ করে দেয়। সে সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। এখানে, এমপিদের উন্নয়ন কাজে বরাদ্দ দেয়ার ব্যাপারে আমার হস্তক্ষেপ করার কিছুই ছিলোনা। এটি সম্পূর্ন মন্ত্রনালয়ের ব্যাপার। এই ঘটনা থেকেই হয়তো কারো মনে আমার প্রতি ক্ষোভের সঞ্চার হয়ে থাকতে পারে।
আরেকটি বিষয় হলো, আমি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। সেক্ষেত্রে আমার জেলা নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনেই আমি আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী চেয়েছি। শুধু আমি নই, আমার দলের সব নেতাকর্মীরাই নৌকা প্রতীকে প্রার্থী চেয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই নৌকা প্রতীক চাওয়ার সাথে এফডিআরের কি সম্পর্ক রয়েছে তা আমার বোধগম্য নয়।
